Madhyamik Result 2026: মেধা থাকলেও কেন অনেকের ভালো রেজাল্ট হয় না? রহড়া রামকৃষ্ণ মিশনের দারুণ সাফল্যের মাঝেই কী বলছেন জয়ানন্দজি মহারাজ – Bengali News | Why Many Brilliant Students Fail to Score High? Rahara Ramakrishna Mission Maharaj Explains After Madhyamik Success
কী বলছেন জয়ানন্দজি মহারাজ? Image Credit: TV 9 Bangla
রহড়া: গোটা রাজ্যের মধ্যে প্রথম দশে জায়গা পেয়েছে ১৩১ জন। জয়জয়কার রহড়া রামকৃষ্ণ মিশনেরও। রহড়া থেকে মেধা তালিকায় রয়েছেন ৪ জন। রাজ্যের মধ্যে ষষ্ঠ স্থান অধিকার করেছে আদৃত গোস্বামী, সপ্তম স্থান অধিকার করেছে অনিস দাস, নবম সূর্যস্নাত বর্মন, দশম স্থানে রয়েছে সৃজন দে সরকার। চারজনই রহড়া রামকৃষ্ণ মিশনের পড়ুয়া। ছাত্রদের সাফল্যে স্বভাবতই উচ্ছ্বসিত স্কুলের মহারাজ থেকে শুরু করে সমস্ত শিক্ষক, অশিক্ষক কর্মীরা। স্কুলেই কৃতি ছাত্রদের মিষ্টিমুখ করালেন জয়ানন্দ জি মহারাজ।
সৃজন দে সরকার বলছে, “আমি ৬৮৮ পেয়েছি। খুবই ভাল লাগছে। ভাল রেজাল্ট যে হবে সেটা আশা ছিল। এখন মেধা তালিকায় থাকতে পেরে ভালো লাগছে। স্কুল আর টিউশন বাদ দিয়ে ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা পড়তাম। এগুলো যখন থাকতো না তখন ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা পড়তাম। আগামীতে ডাক্তার হওয়ার ইচ্ছা রয়েছে।”
পরিশ্রম, সময়ানুবর্তিতা ও নিয়মানুবর্তিতাই এই বিরাট সাফল্যের নেপথ্য কারণ বলে মনে করছেন স্কুলের শিক্ষকরা। উচ্ছ্বসিত জয়ানন্দজি মহারাজও। তিনি বলছেন, “আজ আমাদের স্কুলের কাছে খুবই গর্বের দিন। গোটা স্কুলেই খুশির হাওয়া। আমি ছাত্ররা সকলেই এই সাফল্য ধরে রাখতে হবে। অনেকেরই মেধা আছে, কিন্তু মেধাটাকে কাজে লাগাতে পারে না। তাই ভাল রেজাল্ট হয় না। তাই পরিশ্রম করে যেতে হবে। পরিশ্রমের বিকল্প নেই।”
প্রসঙ্গত, এবার মাধ্যমিকে প্রথম হয়েছে উত্তর দিনাজপুরের সারদা বিদ্যমন্দিরের অভিরূপ ভদ্র। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৮। দ্বিতীয় বীরভূমের সরোজিনী দেবী শিশুমন্দিরের প্রিয়তোষ মুখোপাধ্যায়। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৭। তৃতীয় স্থানে রয়েছে তিনজন। রয়েছে নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন সৌর জানা। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৫। রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর রামকৃষ্ণ শিক্ষা মন্দিরের অঙ্কন কুমার জানা। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৫। রয়েছে বাঁকুড়া ক্রিশ্চিয়ান কলেজিয়েট স্কুলের মৈনাক মণ্ডল। তারও প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৫।