জিতেও স্বস্তি নেই, গণনাকেন্দ্রেই ‘অপমানিত’ মধ্যমগ্রামের বিজয়ী প্রার্থী - 24 Ghanta Bangla News
Home

জিতেও স্বস্তি নেই, গণনাকেন্দ্রেই ‘অপমানিত’ মধ্যমগ্রামের বিজয়ী প্রার্থী

Spread the love

রাজ্যের বিভিন্ন জেলার মতো উত্তর ২৪ পরগনা জেলাতেও ভরাডুবি হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তবে গেরুয়া ঝড়ের মধ্যে জয় পেয়েছেন মধ্যমগ্রামের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী রথীন ঘোষ। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পরে মাত্র ২৩৯৯ ভোটে জিতেছেন তিনি। তবে জিতেও স্বস্তিতে নেই রথীন ঘোষ। গণনাকেন্দ্রে বসেই ‘অপমানিত’ হয়েছেন তিনি বলে অভিযোগ। আর এরই পাশাপাশি বুধবার, তাঁকে হাজিরা দিতে হবে সল্টলেকে সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি দপ্তরে।

মধ্যমগ্রাম কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী ছিলেন অনিন্দ্য (রাজু) বন্দ্যোপাধ্যায়। এক সময়ে অনেকটাই এগিয়ে যান বিজেপি (BJP) প্রার্থী। তবে ১৪ রাউন্ডের পর থেকে ফের এগিয়ে যেতে শুরু করেন রথীন ঘোষ। ৯৫৯৯৫টি ভোট পেয়েছেন তিনি। ২৩৯৯ ভোটে তাঁর কাছে পরাজিত হয়েছেন বিজেপির প্রার্থী। আরও এক বার জিতলেও হতাশ রথীন ঘোষ।

জানা গিয়েছে, গণনা চলাকালীন রটে যায় হেরে গিয়েছেন রথীন ঘোষ। ওই কেন্দ্রে গণনা কিছুক্ষণের জন্য বন্ধও রাখা হয়। অবশেষে মধ্যরাতে মধ্যমগ্রামের (Madhyamgram) তৃণমূল প্রার্থীকে জয়ী ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। তবে এই জয় মেনে নিতে পারেনি বিজেপি প্রার্থী এবং তাঁর অনুগামীরা। হাইকোর্টে যাবেন বলেও সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন তাঁরা।

দীর্ঘ দিন ধরেই রাজনীতিতে আছেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্য ও সরবরাহ মন্ত্রী রথীন ঘোষ। ৯০-এর দশক থেকেই নির্বাচনে লড়াই করছেন তিনি। মধ্যমগ্রাম পুরসভার কাউন্সিলর এবং পরে পুরসভার চেয়ারম্যানও হন তিনি। তবে তাঁর দাবি, গণনাকেন্দ্রে বসেই তাঁকে অপমানিত হতে হয়েছে। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে এমন ঘটনা কোনও দিনই হয়নি বলেও জানিয়েছেন তিনি। তাঁর দাবি, এত দিন মানুষের জন্য কাজ করেছেন তিনি। কে কোন রাজনৈতিক দলের তাঁর তিনি ভাবেননি। সেই তাঁকেই গণনাকেন্দ্রে এমন কিছু কথা শুনতে হয়েছে তা তিনি কোনও দিন ভাবেননি।

সূত্রের খবর, রথীন ঘোষকে লক্ষ্য করে ‘চোর’ স্লোগান দেন বিজেপি কর্মীরা। মধ্যমগ্রাম এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের (Trinamool Congress) একাধিক দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর চালিয়েছে বিজেপির লোকজন বলেও অভিযোগ করেন রথীন ঘোষ।

অন্য দিকে ,পুর নিয়োগ দুর্নীতির মামলার তদন্তে রথীন ঘোষকে ফের তলব করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। আগামী বুধবার তাঁকে সল্টলেকে সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দপ্তরে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। উল্লেখ্য, ভোটের আগে বেশ কয়েক বার তাঁকে তলব করেছিল ইডি। তবে নির্বাচনী কাজে ব্যস্ত থাকার কারণে ওই সময়ে হাজিরা দেননি তিনি। ২০২৩ সালে এই মামলায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল ইডি (ED)।

ওই মামলাতেই রাজ্যের আর এক প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসুকেও তলব করেছিল ইডি। হাইকোর্টের নির্দেশে শুক্রবার তিনি হাজিরা দেন ইডির দপ্তরে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *