সিসিটিভি ‘অচল’ স্ট্রংরুমে, বারাসত গভর্নমেন্ট কলেজে বাড়ছে উদ্বেগ - 24 Ghanta Bangla News
Home

সিসিটিভি ‘অচল’ স্ট্রংরুমে, বারাসত গভর্নমেন্ট কলেজে বাড়ছে উদ্বেগ

Spread the love

ভোটগণনার আগে রাজ্যের প্রতিটি গণনাকেন্দ্রে কঠোর নিরাপত্তা (WB Election 2026) ব্যবস্থা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। সম্ভাব্য যে কোনও অনিয়ম বা বিশৃঙ্খলা এড়াতে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে, …

ভোটগণনার আগে রাজ্যের প্রতিটি গণনাকেন্দ্রে কঠোর নিরাপত্তা (WB Election 2026) ব্যবস্থা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। সম্ভাব্য যে কোনও অনিয়ম বা বিশৃঙ্খলা এড়াতে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে, যেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী, রাজ্য পুলিশ এবং সিসিটিভি নজরদারির মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়াকে সুরক্ষিত রাখার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু এই কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই বারাসত গভর্নমেন্ট কলেজের স্ট্রং-রুমে সিসিটিভি বন্ধ থাকার অভিযোগ উঠতেই নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বারাসত গভর্নমেন্ট কলেজের স্ট্রং-রুমে ইভিএম ও ভোট সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সামগ্রী সংরক্ষিত রয়েছে। সেই জায়গাতেই হঠাৎ করে সিসিটিভি নজরদারি বন্ধ থাকার অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ উঠতেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে এই ঘটনাকে অত্যন্ত গুরুতর বলে উল্লেখ করা হয়েছে এবং দ্রুত বিষয়টির তদন্তের দাবি তোলা হয়েছে। (WB Election 2026) অভিযোগকারীদের বক্তব্য, স্ট্রং-রুম এমন একটি সংবেদনশীল এলাকা যেখানে ২৪ ঘণ্টা নজরদারি থাকা অত্যন্ত জরুরি। সেখানে সিসিটিভি বন্ধ থাকা মানেই নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড়সড় ফাঁক থেকে যাওয়া। তাদের দাবি, এই ধরনের ঘটনা ভোট প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে। ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং কোথাও কোনও প্রযুক্তিগত ত্রুটি থাকলে তা দ্রুত মেরামত করা হবে। একাধিক আধিকারিকের দাবি, স্ট্রং-রুমের নিরাপত্তায় কোনও রকম আপস করা হয়নি। সিসিটিভি বন্ধ থাকার অভিযোগ যদি সত্যি হয়, তাহলে সেটি সাময়িক ত্রুটি হতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

এদিকে নির্বাচন কমিশনের(WB Election 2026) নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী, স্ট্রং-রুমের চারপাশে ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন থাকে। কোনও ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট অনুমতি ছাড়া সেখানে প্রবেশ করতে দেওয়া হয় না। পাশাপাশি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরাও নির্দিষ্ট দূরত্বে থেকে নজরদারি চালাতে পারেন। ফলে সিসিটিভি বন্ধ থাকলেও মানবিক নজরদারির মাধ্যমে নিরাপত্তা বজায় রাখা সম্ভব বলেই প্রশাসনের দাবি।

তবুও বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি এই ঘটনাকে সহজভাবে নিতে নারাজ। তাদের অভিযোগ, ভোটের আগে এই ধরনের ঘটনা ঘটলে তা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার উপর মানুষের আস্থা নষ্ট করতে পারে। তারা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেছে।

ভিডিও নিউজ দেখুন

https://www.youtube.com/watch?v=videoseries

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *