Malda: ‘প্রতিশ্রুতি কাগজে লিখে দিন’, তৃণমূল প্রার্থীকে ঘিরে দাবি গ্রামবাসীদের - 24 Ghanta Bangla News
Home

Malda: ‘প্রতিশ্রুতি কাগজে লিখে দিন’, তৃণমূল প্রার্থীকে ঘিরে দাবি গ্রামবাসীদের

Spread the love

Malda: ‘প্রতিশ্রুতি কাগজে লিখে দিন’, তৃণমূল প্রার্থীকে ঘিরে দাবি গ্রামবাসীদের

মালদহ: ভোটের প্রচারে গিয়ে নানা প্রতিশ্রুতি দেন প্রার্থীরা। সেইসব প্রতিশ্রুতির কতটা বাস্তবায়ন হয়, তা নিয়ে বিভিন্ন সময় প্রশ্ন ওঠে। তাই, মুখের প্রতিশ্রুতি নয়। লিখিত গ্যারান্টি চাইলেন গ্রামবাসীরা। মালদহের গাজোলে তৃণমূল প্রার্থীকে ঘিরে গ্রামবাসীদের সেই দাবির ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে। যদিও তৃণমূল প্রার্থীর দাবি, গাজোলে গত ৫ বছর বিজেপি বিধায়ক রয়েছেন। ফলে গ্রামবাসীদের সমস্যার সমাধান না হওয়ার জন্য বিজেপি বিধায়ক দায়ী। অন্যদিকে, রাজ্য প্রশাসনের ঘাড়ে দোষ চাপালেন বিজেপি বিধায়ক।  

গাজোলে তৃণমূল প্রার্থী প্রসেনজিৎ দাসকে ঘিরে গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে। গাজোল বিধানসভার বৈরগাছি -১ পঞ্চায়েতের আলিনগর গ্রামে ভোট প্রচারে গিয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী। পেছনে মোটরবাইকে ছিলেন কর্মীরা। সেই সময় তৃণমূল প্রার্থীকে ঘিরে ধরেন এলাকার একদল মানুষ, যাঁদের মধ্যে বেশিরভাগই তৃণমূলেরই পরিচিত কর্মী সমর্থক। গাড়ির কাছে গিয়ে বেহাল রাস্তা নিয়ে অভিযোগ জানাতে গিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার সব রাস্তা বেহাল। বারবার বলা সত্ত্বেও কাজ হয়নি।

ভাইরাল ভিডিয়োতে দেখা যায়, ক্ষোভের মুখে তৃণমূল প্রার্থী প্রসেনজিৎ বলেন, এখানে ১০ বছর ধরে বিজেপির সাংসদ রয়েছেন। ৫ বছর ধরে বিজেপির বিধায়ক রয়েছেন। তাঁরা কাজ করেননি। তিনি জিতলে কাজ করবেন। তখন বিক্ষোভকারীরা পাল্টা বলেন, পঞ্চায়েত এবং জেলা পরিষদ তৃণমূলের। তবে কেন কাজ হয়নি? এর পরে প্রার্থী প্রসেনজিৎ দাসের কাছে তাঁর প্রতিশ্রুতি কাগজে লিখে দিতে বলেন গ্যারান্টি হিসেবে।

বিক্ষোভকারী আফজাল আলি ও আজমাইল আলিরা বলেন, “আমাদের এই এলাকায় রাস্তার অবস্থা বেহাল। যেকোনও প্রার্থী এই এলাকায় ঢুকলে আমরা তাঁকে দাঁড় করাব। এবং এলাকার উন্নয়নে তাঁদের কী পরিকল্পনা, তা জানতে চাইব। উন্নয়নের নিরিখে আমরা এখানে ১০০ বছর পিছিয়ে রয়েছি।”

তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ নিয়ে গাজোলের তৃণমূল প্রার্থী প্রসেনজিৎ দাস বলেন, “এখানকার বিজেপি সাংসদ ও বিজেপি বিধায়ক তাঁদের তহবিলের টাকা কি এখানকার উন্নয়নে খরচ করেছেন? রাস্তাঘাটের অবস্থা সত্যিই বেহাল। যার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান হবে, মানুষ তাকেই অভিযোগ জানায়। তাই আমাকে জানিয়েছেন। আমি বলেছি, আমাদের এখানে বিধায়ক হলে ৬ মাসের মধ্যে সমস্যার সমাধান হবে।”

তৃণমূল প্রার্থীর কথা শুনে বিদায়ী বিধায়ক তথা বিজেপি প্রার্থী চিন্ময় দেব বর্মণ বলেন, “এলাকার উন্নয়নের জন্য জনগণের দাবি থাকবেই। কিন্তু, ইচ্ছাকৃতভাবে মানুষকে সমস্যার মধ্যে রাখাই এই সরকারের কাজের মধ্যে পড়ে। তৃণমূল বলছে, এখানকার বিধায়ক ৫ বছরে কী করেছে? এটা জানা দরকার, একজন বিধায়কের তহবিলের টাকা রাজ্য সরকারের প্রশাসনের মধ্যে দিয়ে খরচ করতে হয়। সেখানে বিরোধীদের টাকা খরচে প্রশাসন গড়িমসি করে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *