‘জ্যাজ সিটি’ দেখে মুগ্ধ দর্শকরা, সমাজ মাধ্যমে কী লিখলেন তাঁরা? - 24 Ghanta Bangla News
Home

‘জ্যাজ সিটি’ দেখে মুগ্ধ দর্শকরা, সমাজ মাধ্যমে কী লিখলেন তাঁরা?

Spread the love

‘জ্যাজ সিটি’ দেখে মুগ্ধ দর্শকরা, সমাজ মাধ্যমে কী লিখলেন তাঁরা?

মুক্তি পেয়েছে ওয়েব সিরিজ ‘জ্যাজ সিটি’। দর্শকরা সমাজ মাধ্যমে তাঁদের মনের কথা লিখছেন এই ওয়েব সিরিজ দেখে। যেমন উজান চট্টোপাধ্যায় লিখলেন, ”এই ‘এন্টারটেইনমেন্ট’ ইন্ডাস্ট্রিতে যিনি যা করেন অর্থাৎ যাঁর যা কাজ, তাঁর সেই কাজটা করতে ভালো লাগে না- এমন একটা প্রবণতা দেখতে পাচ্ছিলাম অনেকদিন ধরেই। শুধু তাই নয়, যিনি অভিনয় করেন তিনি অভিনয় বাদ দিয়ে বাকি আরও অনেক কাজ বা অকাজ অনেক মন দিয়ে, ভালোবেসে করে যাচ্ছেন, যেমন ইনস্টাগ্রাম। যিনি পরিচালক তিনি পরিচালনা বাদ দিয়ে ডুবে থাকছেন কত তাড়াতাড়ি একটা ডুপ্লেক্সের বন্দোবস্ত করে ফেলা যায় সেই চিন্তায়। নতুন কোনও এক্সপেরিমেন্টের বদলে আবহশিল্পী চিরাচরিত সুর ভেঁজে যাচ্ছেন, ভাবটা অনেকটা এমন যে, মানুষ তো চর্বিত-চর্বণই খায় ভালো ! নতুন কিছু করে আর কী-ই বা হবে !

এই প্রবণতা অবশ্যম্ভাবীভাবে ঠেলে দেয় ভানের দিকে। সব ধরনের ভান। আর সেই ভান ক্রমশ প্রকট হয়ে উঠতে থাকে বাকি সমস্ত কিছু ছাপিয়ে। ‘জ্যাজ সিটি’ ভালো লাগার বেশ কিছু কারণের মধ্যে একটা এই ভানহীনতা। কাজটা দেখতে দেখতে হাজার প্রতিকূলতা ছাপিয়েও মন দিয়ে, যত্ন করে কাজ করে চলার একটা পরিশ্রম দেখতে পাচ্ছিলাম। মনে হচ্ছিল, যাঁরা এই কাজের সাথে যুক্ত, তাঁরা সকলেই যেন ভালোবেসে কাজটা করছেন। যে যতটা পারেন, ততদূর পর্যন্তই যেন নিজেকে সৎভাবে ঠেলছেন, এমন একটা মনে হওয়া আমায় আনন্দ দিয়েছে।
খুব ভালো লেগেছে চিত্রনাট্য, সংলাপ। চমৎকার লেগেছে চিত্রনাট্যের মধ্যে মণিমুক্তোর মতো রয়ে যাওয়া অসামান্য সব রসিকতা। খুব ভালো লেগেছে এর নিপাট চিত্রগ্রহণ। ‘জ্যাজ সিটি’র চকমকানির ভায়াব্রেন্স আর তার বাইরের যে বাংলা, তার প্রায় ছাইরঙা-হলদেটে ভায়াব্রেন্ট না হয়ে থাকা যে চিত্রমালা দেখতে পাই, তাতে কালার কারেকশনের সাধুবাদ প্রাপ্য। তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চমৎকার পোশাক ও প্রোডাকশন ডিজাইন।
বাংলার অসংখ্য অভিনেতা-অভিনেত্রীরা এই কাজে রয়েছেন। সবচেয়ে আনন্দের, এই সিরিজের বড় একটা অংশ জুড়ে আমার সমবয়সী অভিনেতা-অভিনেত্রীরা কাজ করেছেন। তাঁদের সকলের জন্য ভালোবাসা।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *