Kshiti Goswami: বিজেপিতে যোগ দিয়েই বাড়ির দেওয়াল ‘দখল’ ক্ষিতি-কন্যা কস্তুরীর, কী বলছেন দিদি বসুন্ধরা? – Bengali News | BJP Political graffiti on the wall of late RSP leader Kshiti Goswami’s house, his two daughters say…
কী বলছেন ক্ষিতি গোস্বামীর দুই কন্যা বসুন্ধরা ও কস্তুরী?Image Credit: TV9 Bangla
কলকাতা: বাম পরিবারে বেড়ে ওঠা দুই বোনের রাজনৈতিক পথ আজ দুটি দিকে বয়ে গিয়েছে। প্রয়াত আরএসপি নেতা ক্ষিতি গোস্বামীর বড় মেয়ে বসুন্ধরা বছর ছয়েক আগে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। আর কয়েকদিন আগে গেরুয়া পতাকা হাতে তুলে নিয়েছেন বসুন্ধরার বোন কস্তুরী গোস্বামী। আর বিজেপিতে যোগ দিয়েই ক্ষিতি গোস্বামীর বাড়ির দেওয়াল ‘দখল’ করলেন কস্তুরী। ক্ষিতি গোস্বামীর বাড়ির দেওয়ালে বিজেপির প্রতীক এঁকে লেখা হল ‘বাঁচতে চাই, বিজেপি তাই’। বাড়ির দেওয়াল ‘দখল’ নিয়ে যুক্তি দিলেন কস্তুরী। বিষয়টিকে বেশি গুরুত্ব দিতে চাইলেন না তৃণমূলের বসুন্ধরা।
কলকাতা পৌরনিগমের ৯৬ নম্বর ওয়ার্ডের শ্রীকলোনিতে ক্ষিতি গোস্বামীর বাড়ি। এই সাদা বাড়ির দেওয়ালে একসময় বাম প্রতীক আঁকা হয়েছে। তারপর বসুন্ধরা তৃণমূলে যাওয়ার পর সেখানে ঘাসফুল জায়গায় পেয়েছে। এই ৯৬ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর হলেন বসুন্ধরা। এখন কস্তুরী বিজেপিতে যাওয়ার পর ওই দেওয়ালে বিজেপির প্রতীক আঁকা হল।
এই নিয়ে কস্তুরী বলেন, “আমাদের লক্ষ্য, আমাদের ওয়ার্ডে বিজেপিকে এগিয়ে রাখব। উন্নয়নের ঢেউ অন্য রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ছে, কিন্তু, বাংলা পিছিয়ে পড়ছে। আমাদের দলের কর্মীরা আমার সঙ্গে ছিলেন। এটা বলতে পারেন প্রতীকের মতো। এখান থেকে শুরু করলাম।” দেওয়াল লিখনে বাড়ি থেকে কোনও আপত্তি আসছিল কি না শুনে হেসে ফেলেন তিনি। বলেন, “এখনও পশ্চিমবঙ্গে সকলে সংবিধান মানতে বাধ্য হচ্ছে।”
বোনের বিজেপিতে যাওয়া নিয়েও এর আগে কোনও মন্তব্য করতে চাননি বসুন্ধরা। এদিনও তিনি বলেন, “তার ব্যক্তিগত ইচ্ছে থেকে বিজেপিতে গিয়েছে। আমি কী বলব?” বাড়ির দেওয়ালে বিজেপির প্রতীক আঁকা নিয়ে বসুন্ধরা বলেন, “কারও ব্যক্তিগত স্বাধীনতায় কি হস্তক্ষেপ করা যায়? আমার কাজ, লোকজনের সঙ্গে সম্পর্ক নিশ্চয় তৃণমূলকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। কাজই শেষ কথা। এখানে বিজেপির ভোট খুবই সামান্য।” বুঝিয়ে দিলেন, বাড়ির দেওয়াল ‘দখল’ হলেও এই ওয়ার্ড তৃণমূলের দখলেই থাকবে। বিধানসভা নির্বাচনে এই ওয়ার্ডে কে লিড পাবে, সেটা ভবিষ্যৎ বলবে। তার মধ্যে দুই বোনের মধ্যে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব আরও বাড়ে কি না, সেটাই দেখার।