Banga Bibhushan: অনন্ত মহারাজকে বঙ্গবিভূষণ রাজ্যের, সম্মান পেয়েই বিস্ফোরক বিজেপি সাংসদ – Bengali News | West Bengal government confers Banga Bibhushan award to Anant Maharaj
অনন্ত মহারাজকে বঙ্গবিভূষণ সম্মান প্রদান করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়Image Credit: TV9 Bangla
কলকাতা: দোরগোড়ায় বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে অস্বস্তি বাড়ল রাজ্য বিজেপির। শনিবার রাজ্য সরকারের বঙ্গবিভূষণ সম্মান পেয়ে গেরুয়া শিবিরের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন রাজ্যসভার বিজেপি সাংসদ অনন্ত মহারাজ। কোচবিহার ও রাজবংশীদের জন্য বিজেপি কিছু করেনি বলে সরব হলেন তিনি। এদিকে, বঙ্গবিভূষণ সম্মান তুলে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনন্ত মহারাজের প্রশংসা করলেন। বললেন, রাজবংশীদের জন্য কাজ করে চলেছেন অনন্ত মহারাজ।
ভাষা দিবসের অনুষ্ঠানে এদিন অনন্ত মহারাজকে বঙ্গবিভূষণ সম্মান দেওয়া হয়। তিনি ছাড়াও এদিন বঙ্গবিভূষণ সম্মান পান শিবাজী চট্টোপাধ্যায়, নচিকেতা চক্রবর্তী, শ্রীরাধা বন্দ্যোপাধ্যায়, গণেশচন্দ্র হালুই, লোপামুদ্রা মিত্র, বাবুল সুপ্রিয়, ইমন চক্রবর্তী এবং শ্রীজাত। তবে রাজনৈতিক মহলের সবচেয়ে বেশি আগ্রহ ছিল অনন্ত মহারাজকে নিয়ে। বঙ্গবিভূষণ সম্মান পেয়ে তিনি কী বলেন, সেদিকে তাকিয়ে ছিল সবাই।
রাজবংশীদের হয়ে কাজের জন্য এদিন অনন্ত মহারাজকে বঙ্গবিভূষণ সম্মান প্রদান করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। সম্মান পাওয়ার পর নিজের একটি কবিতা পড়ে শোনান অনন্ত মহারাজ। সেখানে আর কিছু বলেননি তিনি। কিন্তু, সম্মান পাওয়ার পর বাইরে বেরিয়ে এসে বিজেপির বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন। তিনি বলেন, কোচবিহার ও রাজবংশীদের জন্য বিজেপি কিছু করেনি। এদিন মঞ্চে আবার অনন্ত মহারাজের দীর্ঘায়ু কামনা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “তিনি রাজবংশীদের হয়ে কাজ করে যান।”
অনন্ত মহারাজের বঙ্গবিভূষণ সম্মান পাওয়া নিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “অনন্ত মহারাজ আমার সহকর্মী, আমার সতীর্থ। আমরা একইসঙ্গে রাজ্যসভায় পাশাপাশি বসি। আমার সতীর্থ যদি পুরস্কৃত হন, সম্মানিত হন, আমার কাছে এর চেয়ে আনন্দের কিছু নেই।” তবে বিজেপির বিরুদ্ধে অনন্ত মহারাজ যা বলেছেন, সেই নিয়ে প্রশ্নের জবাব দেননি শমীক।
২০২৩ সালের অগস্টে বাংলা থেকে বিজেপির টিকিটে রাজ্যসভার সাংসদ হন অনন্ত মহারাজ। তবে বেশ কিছুদিন ধরেই বিজেপির সঙ্গে তাঁর দূরত্ব সামনে এসেছে। এবার ভোটের আগে বঙ্গবিভূষণ সম্মান পাওয়ার পর অনন্ত মহারাজ যা বললেন, তাতে বিজেপি বেকায়দায় পড়বে কি না, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। বিধানসভা ভোটে কোচবিহারে রাজবংশী ভোট এখন কার দিকে ঝুঁকে, সেটাই দেখার।