Jalpaiguri: মেয়েকে টিউশন পড়িয়ে ফিরছিলেন, ট্রাক হিঁচড়ে টেনে নিয়ে গেল তৃণমূল নেতাকে – Bengali News | Jalpaiguri: Trinamool leader dragged by truck while returning from tutoring his daughter
জলপাইগুড়ি: মেয়েকে নিয়ে টিউশন পড়িয়ে নিয়ে ফিরছিলেন বাবা। পথেই মর্মান্তিক পরিণতি। পিছন থেকে দ্রুত গতিতে আসা একটা ট্রাক ধাক্কা মারে। বাইক থেকে ছিটকে পড়েন বাবা-মা। বাবাকেই প্রায় এক কিলোমিটার ট্রাক টেনে নিয়ে যায়। ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে এসে ক্ষোভের মুখে পড়ে পুলিশ। পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুর চালায় উত্তেজিত জনতা। পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল তৃণমুলের সংখ্যালঘু সেলের ব্লক সভাপতি। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম লুতফর রহমান ( ৪৮) ৷ গুরুতর আহত তার একমাত্র কন্যা। তিনি জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসাধীন। উত্তেজিত জনতার পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়ন। এটা কি নিছক পথ দুর্ঘটনা নাকি কোনও অন্তর্ঘাত রয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে পুলিশকে আবেদন তৃণমূলের।
স্থানীয় সূত্রের খবর, তৃণমূল নেতা লুতফর রহমান তাঁর মেয়েকে টিউশন থেকে নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন রাত সাড়ে দশটা মিনিট নাগাদ। গোশালামোড় এলাকায় জাতীয় সড়কে একটি ট্রাক পেছন থেকে ধাক্কা মারলে মেয়েটি মোটর সাইকেল থেকে পড়ে গেলেও তৃণমূল নেতা বাইকেই ছিলেন। সেই বাইকটিকেই বেশকিছু দূর পর্যন্ত টেনে নিয়ে যায় ট্রাকটি।
অবশেষে অসম মোড় এলাকায় বাসিন্দারা ট্রাকটি আটকে দেয়। পুলিশ গিয়ে তৃণমূল নেতা ও তাঁর মেয়েকে মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তৃণমূল নেতা লুতফর রহমানকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় ১৪বছরের মেয়ের চিকিৎসা চলছে। স্থানীয় তৃণমূল নেতা অজয় সাহার দাবি, লুতফর প্রতিবাদী কন্ঠ ছিল। তাই এই বিষয়টা নিয়ে ধন্দ তৈরি হয়েছে। আদৌ এটি নেহাতই পথ দুর্ঘটনা নাকি, এর পিছনে কোনও চক্রান্ত রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শৌভনিক মুখোপাধ্যায় বলেন, “জাতীয় সড়কের গুরুতপূর্ণ মোড় গোশালা মোড়। সেখানে রাত ৮টার পর ট্রাফিক পুলিশ থাকে না। পুলিশ থাকলে হয়তো এই দুর্ঘটনা এড়ানো যেত। আমরা এই বিষয়টি দেখছি। সেখানে পুলিশ মোতায়েনের চেষ্টা করছি।”