Basirhat: 'দাপুটে' তৃণমূল কাউন্সিলরের বাড়িতে বোমাবাজি, পিছনে কারা? - Bengali News | Bomb attack in TMC leader's house in Basirhat - 24 Ghanta Bangla News
Home

Basirhat: ‘দাপুটে’ তৃণমূল কাউন্সিলরের বাড়িতে বোমাবাজি, পিছনে কারা? – Bengali News | Bomb attack in TMC leader’s house in Basirhat

Spread the love

তৃণমূল কাউন্সিলরের বাড়িতে বোমাবাজিতে চাঞ্চল্য বসিরহাটেImage Credit: TV9 Bangla

বসিরহাট: দরজায় কড়া নাড়ছে বিধানসভা নির্বাচন। আর আগে উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটে ‘দাপুটে’ তৃণমূল কাউন্সিলরের বাড়িতে বোমাবাজিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল। তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের অভিযোগ উঠেছে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন তৃণমূলেরই ওই ‘দাপুটে’ কাউন্সিলর। আবার ঘটনাটি নিয়ে শাসকদলকে বিঁধেছে গেরুয়া শিবির। 

বসিরহাট পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অসিত মজুমদারের বাড়িতে মঙ্গলবার রাতে বোমাবাজি হয়। বোমার তীব্র আওয়াজে এলাকায় আতঙ্ক ছড়ায়। আতঙ্কিত হয়ে পড়েন কাউন্সিলরের পরিবারের লোকজনও। খবর পেয়ে আসে বসিরহাট থানার পুলিশ। এবং নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে দলের কাউন্সিলরের বাড়িতে আসেন বসিরহাট দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক সপ্তর্ষি বন্দ্যোপাধ্যায়।

এলাকার দাপুটে এবং প্রবীণ তৃণমূল কাউন্সিলরের বাড়িতে বোমাবাজি নিয়ে চাপানউতোর তৈরি হয়েছে। অসিত মজুমদার পাঁচ দশকের বেশি রাজনীতি করছেন। তাঁর স্ত্রীও একসময় বসিরহাট পৌরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন। কারা তাঁর বাড়িতে বোমা মারল, এই প্রশ্ন উঠেছে। এই নিয়ে অসিত মজুমদার বলেন, “লোকজন বাড়িতে এসেছিলেন। তাঁরা চলে যাওয়ার পর সবেমাত্র কাগজ পড়তে যাব, তখন বিস্ফোরণ হয়। কারা বোমা মারল, তা পুলিশ বলবে। আমি বলব কীভাবে? তবে আমার রাজনৈতিক জীবনে এ জিনিস দেখিনি। বসিরহাটে এই সংস্কৃতি ছিল না। যারা করছে, পুলিশ নিশ্চিত জানে। বসিরহাটের মানুষের কোনও নিরাপত্তা নেই বলে আমার মনে হয়। আমরা জনপ্রতিনিধি, আমাদেরই নিরাপত্তা নেই। তাহলে সাধারণ মানুষের কী নিরাপত্তা রয়েছে?”

দলের কাউন্সিলরের বাড়িতে বোমাবাজি নিয়ে বসিরহাটের তৃণমূল নেতা সুবীর সরকার বলেন, “বাড়ির পিছনের দরজায় বোমা মারা হয়েছে। আমরা মনে করি, এটা দুষ্কৃতীদেরই কাজ। অসিতবাবুর হাত ধরে আমাদের মতো অনেকের রাজনীতিতে হাতেখড়ি। রাজনীতির পীঠস্থান তাঁর বাড়ি। তাঁর বাড়িতেই যদি দুষ্কৃতীরা বোমা মারে, তাহলে এর পর অন্য কারও বাড়িতে বোমা মারা হবে না, এই গ্যারান্টি কেউ দিতে পারবে না। আমরা চাই, পুলিশ ব্যবস্থা নিক।” তৃণমূলের অন্তর্দ্বন্দ্বের অভিযোগ নিয়ে তিনি বলেন, “ক্রিমিনালদের কোনও রাজনৈতিক রং হয় না। যদি আমাদেরও কেউ জড়িয়ে থাকে, তাঁর বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।”

তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে এই বোমাবাজি বলে মনে করছে গেরুয়া শিবির। বিজেপির বসিরহাট সাংগঠনিক জেলার যুব সভাপতি পলাশ সরকার বলেন, “তৃণমূলের শাসনে বসিরহাট কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে? তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে বসিরহাটে সাধারণ মানুষের জীবন, জীবিকা নিরাপত্তাহীন হয়ে গিয়েছে। এই অপশাসনের খুব দ্রুত অবসান হবে। বসিরহাটের মানুষ বিধানসভা নির্বাচনের জন্য অপেক্ষা করছেন। ছাব্বিশের নির্বাচনের পর তৃণমূল কংগ্রেস বসিরহাট থেকে মুছে যাবে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *