Suvendu Adhikari: প্রসূনকে ব্যক্তিগত আক্রমণের অভিযোগ, শুভেন্দুকে নোটিস পাঠাল চাঁচল থানার পুলিশ - Bengali News | Chanchal police send notice to Suvendu Adhikari, alleging personal attack on Prasun Banerjee - 24 Ghanta Bangla News
Home

Suvendu Adhikari: প্রসূনকে ব্যক্তিগত আক্রমণের অভিযোগ, শুভেন্দুকে নোটিস পাঠাল চাঁচল থানার পুলিশ – Bengali News | Chanchal police send notice to Suvendu Adhikari, alleging personal attack on Prasun Banerjee

Spread the love

শুভেন্দু অধিকারীকে নোটিস চাঁচল থানার পুলিশ Image Credit: TV9 Bangla

মালদহ: রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে নোটিস দিল চাঁচল থানার পুলিশ। প্রাক্তন পুলিশ কর্তা তথা তৃণমূল নেতা প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে নোটিস পাঠানো হয়েছে। ২ জানুয়ারি চাঁচলের সভা থেকে প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়কে দুর্নীতিগ্রস্ত বলে আক্রমণ করেন শুভেন্দু। সেই মন্তব্যের প্রেক্ষিতেই এবার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দুকে নোটিস ধরাল চাঁচল পুলিশ।

২ জানুয়ারি চাঁচলের সভা মঞ্চ থেকে শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, “খগেনদাকে হারিয়ে দিত ভুয়ো ভোটে। কাউন্টিংয়ের আগের দিন এই প্রসূন, একজন ডাকাত, চরিত্রহীন, লম্পট, ইয়াসিনকে নিয়ে গিয়ে লুঠ করতে গিয়েছিল। একজন দুর্নীতিগ্রস্ত পুলিশ অফিসার ছিলেন। বালুরঘাটে গেলে যাঁকে সকলে বলে চরিত্রহীন প্রসূন। তিনি এখন নেতা হয়েছেন। রাজ্য সরকারের পোস্টেও রয়েছেন। এক লক্ষ কুড়ি হাজার টাকা বেতন পাচ্ছেন। চাঁচল হরিশচন্দ্রপুরে তৃণমূলের কো-অর্ডিনেটর হয়েছেন।”  এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে অভিযোগ দায়ের করেন প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে নোটিস পাঠানো হয় বিধানসভার বিরোধী দলনেতাকে।

পাল্টা অবশ্য প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিকদের সামনে বলেন, “একজন কনস্টেবলকে খুন করেছিলেন। ভয়ের চোটে একজনকে দিয়ে ওই মামলা ব্লক করে রেখেছিলেন। ফান্ডাতো খুলে গিয়েছে এবার, ফাইল তো খুলবে। মৃত কনস্টেবলের স্ত্রী ১৬৪ করবেন। শুভেন্দু অধিকারী যেখানে যান, সেখানে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ান। একাধিক প্ররোচনামূলক মন্তব্য করেছেন। তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ব্যক্তিগত কুরুচিপূর্ণ আক্রমণ।”

যদিও এই ঘটনাপ্রবাহ প্রসঙ্গে বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার বলেন, “শুভেন্দু একটা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে রাজনৈতিক মন্তব্য করেছেন। সেটা আমরা সবাই শুনেছি। যে কেউ মামলা করতে পারেন। আদালতে গিয়ে সম্মানহানির মামলা করতেই পারেন। কিন্তু পুলিশের কাছে গিয়ে কেন এফআইআর করলেন, সেটাই বোঝা যাচ্ছে না।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *