Suvendu Adhikari: সবই আইওয়াশ? যুবভারতীকাণ্ডের FIR কেন 'ধোপে টিকবে না', পয়েন্ট ধরে ধরে বোঝালেন শুভেন্দু - Bengali News | Is it all eyewash? Why the FIR in the Yuva Bharati case 'won't survive the wash', Suvendu Adhikari explains with a point - 24 Ghanta Bangla News
Home

Suvendu Adhikari: সবই আইওয়াশ? যুবভারতীকাণ্ডের FIR কেন ‘ধোপে টিকবে না’, পয়েন্ট ধরে ধরে বোঝালেন শুভেন্দু – Bengali News | Is it all eyewash? Why the FIR in the Yuva Bharati case ‘won’t survive the wash’, Suvendu Adhikari explains with a point

Spread the love

১০ মিনিট থাকলেন মেসি।Image Credit: TV9 বাংলা

কলকাতা: তিলোত্তমাকাণ্ডের  তদন্ত প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুবভারতীকাণ্ডের মিল চোখ আঙুল দিয়ে দেখালেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যের তৈরি করা তদন্ত কমিটি তিনি মানেন না বলেও জানিয়ে দিলেন তিনি। নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটির দাবি তুললেন। সাংবাদিক বৈঠক করে ঘটনার দিন স্টেডিয়ামের বেশ কিছু ছবি, মুহূর্তের ছবি বিগ স্ক্রিনে তুলে ধরেন। আর তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে আয়োজন শতদ্রু দত্তকে। কিন্তু এই কেস আদৌ ‘ধোপে ঠিকবে না’ তা নিয়েই প্রশ্ন তুলে দিলেন শুভেন্দু। সাংবাদিক বৈঠকেই এফআইআর-এর বেশ কয়েকটি অসঙ্গতির কথা উল্লেখ করেন শুভেন্দু।

রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দুর কথায়, এই এফআইআর-টা কেসটাকেই শেষ করে দিয়েছে। ঠিক যেভাবে তিলোত্তমাকাণ্ডে বিনীত গোয়েল ও সন্দীপ ঘোষ মিলিয়ে কেসটা শেষ করে দিয়েছে। সঞ্জয় রাই গ্রেফতার হয়েছে। ঠিক তেমনই এখানে শতদ্রু দত্ত! এখানে শতদ্রুকে একমাত্র দোষী হিসাবে দেখানো হয়েছে।

শুভেন্দু এফআইআর কপি পড়ে শোনান। বিধাননগর সাউথ পিএস কেস নম্বর ০২১৬। এফআইআর-এ উল্লেখ করা হয়েছে, ১২.৩০ থেকে ৪ টের মধ্যে ঘটনাটি ঘটেছে।  যেখানে কিনা তার আগে থেকেই ঝামেলার শুরু হয়ে যায় স্টেডিয়ামে।

শুভেন্দু বলেন, “এফআইআর করেছেন বিধাননগরের আইসি দীপঙ্কর, যিনি এন্ট্রি নম্বর ৭ ও এন্ট্রি নম্বর ১২-র দায়িত্বে ছিলেন। এই কেস টিকবে না। অর্গানাইজার ও CRPF সিকিউরিটিকে দায়ী করা হয়েছে। শতদ্রুকে গ্রেফতার করা হয়েছে দুপুর ২.৪৯ সময়ে। এফআইআর হচ্ছে ৬.৩৫-এ।”

ঘটনার তদন্তে ইতিমধ্যেই অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। যদিও শুভেন্দুর বক্তব্য, “পাড়ার লোককে রেখে তদন্ত কমিটি নয়, বিচারপতিকে রেখে কলকাতা পুলিশ, বিধাননগর পুলিশ, রাজ্য পুলিশকে সরিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত করা উচতি।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *