Elon Musk on AI: কাজ না করলেও চলে যাবে, চাকরি করবেন শখে! ইলন মাস্কের ভবিষ্যদ্বাণীতে বাড়ছে শঙ্কা? - Bengali News | Elon Musk on AI: You Can Leave Without Earning, You Will Work For Fun Only, What are The Growing Concern Over Elon Musk's Prediction? - 24 Ghanta Bangla News
Home

Elon Musk on AI: কাজ না করলেও চলে যাবে, চাকরি করবেন শখে! ইলন মাস্কের ভবিষ্যদ্বাণীতে বাড়ছে শঙ্কা? – Bengali News | Elon Musk on AI: You Can Leave Without Earning, You Will Work For Fun Only, What are The Growing Concern Over Elon Musk’s Prediction?

Spread the love

কাজ করতে হবে না, ভবিষ্যদ্বাণী মাস্কের!Image Credit: https://www.youtube.com/@nikhil.kamath

ইলন মাস্ক, নাম শুনেছেন তো? টেসলা, স্পেস এক্সের সিইও তিনি। সম্প্রতি জিরোধার সহ-প্রতিষ্ঠাতা নিখিল কামাথের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে এই ইলন মাস্ক এক বিরাট ভবিষ্যদ্বাণী করলেন। তাঁর কথায়, দ্রুত এগোচ্ছে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ও রোবোটিক্স। আর এর ধাক্কায় আগামী ২০ বছরের মধ্যে কাজ করাটা মানুষের কাছে ঐচ্ছিক হয়ে যাবে। অনেকটা ‘শখের’ মতো।

ব্যাপারটা কেমন?

ধরুন আপনার কাজ করছে ইচ্ছা করছে না। আপনি করলেন না। কাজ না করেও কিন্তু আপনার সঠিক ভাবে জীবন কাটাতে কোনও সমস্যা হবে না। কারণ, আপনার কাছে তখন থাকবে ইউনিভার্সাল বেসিক ইনকাম। আগেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিজ্ঞানী রোমান ইয়াম্পোলস্কি চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, ইউনিভার্সাল বেসিক ইনকামের কথাও।

কেন এমন দাবি করছেন টেক-গুরু?

এই বিষয়ে একটা কথা খুব স্পষ্ট করে জানিয়েছেন ইলন মাস্কও। তিনি বলছেন, যে গতিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এগোচ্ছে তাতে আগামী ১০ বা ১৫ বছরে সব ধরনের ধ্রমের কাজ সে একাই সামলে নিতে পারবে। সহজ কথায় আপনি যা ভাবতে পারেন, সেই ধরনের পণ্য বা পরিষেবা আপনার সামনে এসে হাজির করবে। “If you can think of it, you can have it”—বলছেন ইলন।

তখন যাঁরা কাজ করবেন, তাঁরা ওই অনেকটা বাগানে সবজি ফলানোর মতো করে কাজ করবেন। কারণ, বাজার থেকে সবজি কিনতে পাওয়া যায়। তা সত্ত্বেও অনেকেই কিন্তু নিজের বাগানে বিভিন্ন ধরনের ফলমূল বা সবজি চাষ করে থাকেন। অর্থাৎ, টাকা উপার্জনের জন্য নয়, শুধুমাত্র ভাললাগা থেকেই কাজ করতে পারেন অনেকে।

ভারতীয় সিইওদের সঙ্গে মাস্কের থিয়োরির বিরোধ!

মাস্কের এই মন্তব্য ভারতের বর্তমান কর্ম সংস্কৃতির একেবারে উল্টো মেরুতে। কিছুদিন আগেই ইনফোসিসের প্রতিষ্ঠাতা নারায়ণমূর্তি তরুণদের সপ্তাহে ৭০ ঘণ্টা কাজের কথা বলেছিলেন। লাসরন অ্যান্ড টুর্বোর এসএন সুব্রহ্মণ্যম তো আরও এক ধাপ এগিয়ে, ৯০ ঘণ্টা কাজ করার পক্ষে সওয়াল করেছেন।

কিন্তু এর মধ্যে ইলন মাস্কও বলছেন, পাশ্চাত্যের বিভিন্ন দেশ যখন সপ্তাহে ৬ দিনের বদলে ৪ দিন বা ৩ দিন কাজ করার দিকে ঝুঁকছে তখন চূড়ান্ত প্রযুক্তিগত উন্নতির ফলে, কাজ করাটা আর বাধ্যতামূলক থাকবে না।

সিঙ্গুলারিটি: ভবিষ্যতের শেষ সীমায় কী?

তবে ইলন মাস্ক এটাও স্বীকার করেছেন যে এই ভবিষ্যত আসলে অনিশ্চিত। কারণ, তাঁর মতে গোটা মানবজাতি এক টেকনিক্যাল সিঙ্গুলারিটির দিকে এগিয়ে চলেছে। অর্থাৎ, এমন এক পরিস্থিতি যার পর কী হবে, কেউ আন্দাজ করতে পারে না। মানুষের চাহিদা পূরণ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হয়ত তখন নিজের উদ্দেশ্য সাধনের চেষ্টা করবে।

তবে, এখানে একটা অন্য কথাও উঠে আসে। এইনিভার্সাল বেসিক ইনকামকে সত্যি করতে গেলে প্রযুক্তির সুবিধা ধনী-গরিব নির্বিশেষে সবার মধ্যে সমানভাবে ভাগ করে দিতে হবে। তা না হলে এই ‘ইচ্ছা হলে কাজ করব’ ব্যাপারটা কেবল একটি বিশেষ অংশের মানুষের কাছেই বাস্তব রূপ নেবে। আর সাধারণ মানুষের কাছে তা স্বপ্ন হয়ে থাকবে। আর সেই কারণেই হয়তও আগামী এক দশক গোটা বিশ্বের জন্য এক কঠিন পরীক্ষার সময়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *