'আমাকে সিঁদুর পরাও...!' মন্দিরে দাঁড়িয়ে সঞ্জীব কাপুরকে অনুরোধ সুলক্ষণার, তারপরের ঘটনা চোখে জল এনে দেবে - Bengali News | Sulakshana pandit took sanjeev kumar to a temple to get married - 24 Ghanta Bangla News
Home

‘আমাকে সিঁদুর পরাও…!’ মন্দিরে দাঁড়িয়ে সঞ্জীব কাপুরকে অনুরোধ সুলক্ষণার, তারপরের ঘটনা চোখে জল এনে দেবে – Bengali News | Sulakshana pandit took sanjeev kumar to a temple to get married

প্রয়াত বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সুলক্ষণা পণ্ডিত। বৃহস্পতিবার মুম্বইয়ে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন এই অভিনেত্রী। বয়স হয়েছিল ৬৮। পারিবারিক সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই মারা যান এই অভিনেত্রী। সুলক্ষণা পণ্ডিতের আরেকটি পরিচয়ও রয়েছে। তিনি সঙ্গীত পরিচালক জুটি যতীন ও ললিত পণ্ডিত এবং অভিনেত্রী বিজয়েতা পণ্ডিতের বোন।

সাতের দশকে হিন্দি সিনেমায় পা রাখেন সুলক্ষণা। ছবির নাম উলঝন। প্রথম ছবি থেকেই নজর কাড়েন তিনি। এরপর সঙ্কোচ, হেরাফেরি, অপনাপনের মতো বলিউডের কালজয়ী ছবিতে অভিনয় করেছিলেন সুলক্ষণা।

অভিনয়ের বাইরে সুলক্ষণা সর্বক্ষণই থাকেন নানান গুঞ্জনে। বিশেষ করে অভিনেতা সঞ্জীব কাপুরের সঙ্গে তাঁর প্রেমের গুঞ্জন, সেই সময় হইচই ফেলে দিয়েছিল বলিউডে। শোনা যায়, সঞ্জীব কাপুরের প্রেমে এতটাই মত্ত ছিলেন যে, চিরকুমারী হয়েই থেকেছেন প্রয়াত এই অভিনেত্রী।

অভিনেত্রীর জীবনী থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, সঞ্জীব কুমার মন দিয়েছিলেন সুলক্ষণা। এই প্রেম ছিল একেবারেই একতরফা। অর্থাৎ সঞ্জীব কুমারের দিক থেকে সেভাবে কোনওদিনই ভালবাসা পাননি অভিনেত্রী। জানা যায়, সেই সময় বলিউডের ড্রিম গার্ল হেমা মালিনীকে প্রেম প্রস্তাব দিয়েছিলেন সঞ্জীব কুমার। কিন্তু হেমা, সঞ্জীবের সেই প্রেম প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। এই ঘটনার পর নাকি সঞ্জীব কুমার মারাত্মক ভেঙে পড়েছিলেন। আর সেই সময়ই সুলক্ষণা সঞ্জীবকে এক মন্দিরে নিয়ে গিয়ে বলেছিলেন, আমার সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে দাও। আমাকে বিয়ে কর! অতিরিক্ত মদ্যপানের কারণে সঞ্জীব তখন নানা অসুখে ভুগছেন। তিনি বুঝতেই পেরেছিলেন তাঁর জীবন শেষের পথে। সুলক্ষণার জীবন যাতে নষ্ট না হয়, তাই সেদিন বিয়ে করেননি তিনি। কিন্তু সুলক্ষণা মনে মনে সঞ্জীবকে স্বামী হিসেবেই মেনে নিয়েছিলেন। নিয়তির খেলা দেখুন, ৬ নভেম্বর, সেই প্রেমিক সঞ্জীব কুমারের মৃত্যু দিনেই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করলেন সুলক্ষণা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *