MiG-এর শূন্যতা ভরাতে ৪.৫ জেনারেশনের Super Sukhoi-তেই ভরসা Indian Air Force-এর?

মিগ ২১ বাইসনের পর ভারতীয় বায়ুসেনায় তৈরি হয়েছে এক বিরাট শূন্যতা। আর এবার বড়সড় এক পদক্ষেপ নিতে চলেছে ভারতীয় বায়ুসেনা। সুখোই Su-30MKI বিমানগুলোকে আপগ্রেড করার কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। এই পদক্ষেপ অত্যন্ত জরুরি, কারণ মিগ ২১ বাইসনের অবসরের ফলে বায়ুসেনার স্কোয়াড্রনের সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ২৯। যা অনুমোদিত ৪২টি স্কোয়াড্রনের তুলনায় ১৩টি স্কোয়াড্রন কম।
এই পরিস্থিতিতেই ‘সুপার সুখোই’ প্রোগ্রামকে দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চলছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, এই প্রস্তাবটি বর্তমানে বিবেচনাধীন রয়েছে। খুব শীঘ্রই এটি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য ক্যাবিনেট কমিটি অব সিকিউরিটির কাছে পাঠানো হবে। সুখোইয়ের এই আপগ্রেডেশনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড বা HAL-কে।
কী কী থাকছে এই আপগ্রেডে?
রিপোর্ট অনুযায়ী, Su-30MKI বিমানে যুক্ত হবে নতুন ককপিট, অত্যাধুনিক অ্যাভিওনিক্স, নতুন রেডার আর শক্তিশালী ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্যুট। এই আপগ্রেডের ফলে যুদ্ধবিমানগুলির সার্ভিস লাইফ বেড়ে যাবে আরও ২০ বছর।
২০২৪ সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বরে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বাধীন ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিল এই আপগ্রেডেশনের প্রয়োজনীয়তা এবং ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্যুটের জন্য ছাড়পত্র দিয়েছিল।
সময়সীমা কত?
ক্যাবিনেট কমিটি অব সিকিওরিটিজের অনুমোদন মেলার পর হিন্দুস্থান অ্যারোনটিক্স লিমিটেডের কিছুটা সময় লাগবে। ৫ বছরের মধ্যে সুখোইয়ের ইনিশিয়াল অপারেশনাল ক্লিয়ারেন্স ভার্সন এবং ৭ বছরের মধ্যে ফাইনাল অপারেশনাল ক্লিয়ারেন্স ভার্সন হাতে পাবে বায়ুসেনা। ফলে, যতদিন না ৮৩টি নতুন লাইট কমব্যাট এয়ারক্র্যাফট তেজস মার্ক ১এ বিমান হাতে আসছে, ততদিন দেশের আকাশ সুরক্ষিত রাখতে এই ‘সুপার সুখোই’ আপগ্রেডই প্রধান ভরসা।