Hand Care for Winter: চরম খসখসে হাত? আপনার রান্নাঘরের ৫ জাদুকরী উপাদান হাতের লাবণ্য ফেরাবে - Bengali News | How to take care of your hand ahead of winter season - 24 Ghanta Bangla News
Home

Hand Care for Winter: চরম খসখসে হাত? আপনার রান্নাঘরের ৫ জাদুকরী উপাদান হাতের লাবণ্য ফেরাবে – Bengali News | How to take care of your hand ahead of winter season

Spread the love

চরম খসখসে হাত? আপনার রান্নাঘরের ৫ জাদুকরী উপাদান হাতের লাবণ্য ফেরাবেImage Credit: Pinterest

শীত এখনও ঘুমিয়ে আছে! শীত আড়মোড়া ভাঙার আগেই বেশ কিছু জিনিস সক্কলের মাথায় রাখা জরুরি। শীত এখনও আসেনি ঠিকই, কিন্তু এখন থেকেই যদি কিছু জিনিস নিয়ে যদি সতর্ক থাকেন, তা হলে ত্বক খসখসে হবে না। আবহাওয়ার পরিবর্তনের প্রথম শিকার হয় আমাদের হাত! ত্বক যখনই আর্দ্রতা হারাতে শুরু করে, হাত খসখসে হয়ে যায়। ত্বক ফেটে যাওয়া বা চুলকানির মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। কিন্তু চিন্তা নেই, আপনার বাড়ির রান্নাঘরেই লুকিয়ে আছে এই সমস্যার দারুণ কিছু ঘরোয়া সমাধান। দামি ক্রিম নয়, বরং প্রাকৃতিক উপাদানেই আপনার হাত ফিরে পাবে মসৃণতা আর লাবণ্য।

নিম্নে সেই ঘরোয়া টোটকাগুলি উল্লেখ করা হল, যা আপনার হাতকে শীতের জন্য প্রস্তুত করবে—

১. মধু ও গ্লিসারিনের ম্যাজিক মিশ্রণ

মধু ও গ্লিসারিন দুটোই অসাধারণ ময়েশ্চারাইজার। এই দুটি উপাদান ত্বকের গভীরে গিয়ে আর্দ্রতা ধরে রাখে। ১ চা চামচ গ্লিসারিন এবং ১ চা চামচ মধু দিয়ে একটি মিশ্রণ বানান। এই দুটি উপাদান ভাল করে মিশিয়ে রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে হাতের ত্বকে লাগান। এটি লাগানোর পর পাতলা সুতির গ্লাভস পরে নিতে পারলে আরও ভাল ফল পাবেন। সকালে উঠে হালকা গরম জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

২. নারকেল তেল ও চিনির এক্সফোলিয়েটর

খসখসে হাতের মূল কারণ মৃত কোষ বা ডেড স্কিন। প্রথমে এক্সফোলিয়েশন (মৃত কোষ দূর করা) করলে ময়েশ্চারাইজার দ্রুত শোষিত হয়। ২ চামচ নারকেল তেল এবং ১ চামচ মিহি চিনি মেশান। চিনি ও তেল মিশিয়ে হাতের তালু এবং আঙুলের ওপর আলতো করে ২-৩ মিনিট ম্যাসাজ করুন। চিনি ত্বক থেকে মৃত কোষ দূর করবে, আর নারকেল তেল দেবে গভীর পুষ্টি। এরপর সাধারণ জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৩. অ্যালোভেরা জেল ও ভিটামিন-ই তেল

ত্বকের যে কোনও জ্বালা বা চুলকানি কমাতে অ্যালোভেরা জেল দারুণ কাজ করে। এর সঙ্গে ভিটামিন-ই তেল যোগ করলে এটি অ্যান্টি-এজিংয়ের কাজও করে। ২ চামচ অ্যালোভেরা জেল এবং একটি ভিটামিন-ই ক্যাপসুলের তেল (ক্যাপসুল কেটে বের করে নিন)। মিশ্রণটি তৈরি করে দিনে দু’বার হাতে লাগান। বিশেষত বাইরে থেকে আসার পর এটি ব্যবহার করলে ত্বক দ্রুত সতেজ হবে।

৪. ওটমিল ও দুধের পেস্ট

ওটমিল প্রাকৃতিকভাবে ত্বককে প্রশমিত করে এবং এর প্রদাহরোধী গুণাবলী রুক্ষতা কমায়। ২ চামচ ওটমিল গুঁড়ো এবং পর্যাপ্ত পরিমাণ কাঁচা দুধ মেশান। পেস্ট তৈরি করে হাতে মেখে ২০ মিনিট রাখুন। এরপর হালকা ম্যাসাজ করে ধুয়ে ফেলুন। এটি ত্বককে নরম ও মসৃণ করে তোলে।

৫. সর্ষের তেল (বা তিলের তেল) মালিশ

ঠান্ডার সময় ত্বককে উষ্ণতা এবং পর্যাপ্ত পুষ্টি দিতে সর্ষের তেল বা তিলের তেল একটি দারুন টোটকা। সামান্য গরম সর্ষের তেল বা তিলের তেলেই হবে কাজ। প্রতিদিন রাতে সামান্য তেল হাতের তালুতে নিয়ে ভাল করে মালিশ করুন। মালিশের ফলে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে এবং ত্বক গরম থাকে।

ঘরোয়া টোটকাগুলির পাশাপাশি কিছু অভ্যাস পরিবর্তন করলে হাত খসখসে হওয়া থেকে সহজেই মুক্তি পাবেন। সেই অভ্যাসগুলি হল—

গরম জলের ব্যবহার কমান:

অত্যধিক গরম জল দিয়ে হাত ধোয়া বা স্নান করা এড়িয়ে চলুন। কারণ এটি ত্বকের প্রাকৃতিক তেল ধুয়ে দেয়।

মাইল্ড সাবান ব্যবহার করুন:

ক্ষারযুক্ত সাবানের বদলে ময়েশ্চারাইজিং উপাদানযুক্ত বা পিএইচ-নিউট্রাল হ্যান্ডওয়াশ ব্যবহার করুন।

ময়েশ্চারাইজার সঙ্গে রাখুন:

প্রতিবার হাত ধোওয়ার পর (বিশেষত বাসন ধোয়া বা কাপড় কাচার পর) ভাল মানের হ্যান্ড ক্রিম বা লোশন ব্যবহার করা আবশ্যক।

এই সহজ ঘরোয়া টোটকা এবং টিপসগুলি নিয়মিত মেনে চললে শীতকালে আপনার হাত থাকবে কোমল, সতেজ এবং লাবণ্যময়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *