Khardaha Fire Burst: ছিঁড়ে খেল আগুন, খড়দহের কারখানা যেন ধ্বংসস্তূপ! ছুটে গেল দমকলের ২০টি ইঞ্জিন – Bengali News | Massive Fire Breaks Out at Khardaha Painting Factory, 20 Fire Engines Rushed to Spot
বিধ্বংসী আগুনImage Credit: নিজস্ব চিত্র
খড়দহ: চারিদিক ঢেকেছে ধোঁয়ায়। যেদিকেই চোখ যায়, সেই দিকটাই ধূসর। আপাতত এরকমই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে খড়দহের ঈশ্বরীপুর এলাকায়। একটি রং কারখানায় আগুনের ঘটনা ঘিরে তৈরি হয়েছে ভয়াবহ পরিস্থিতি। সকাল থেকেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে দমকল বাহিনীকে। ইতিমধ্য়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছে ব্যারাকপুরের পুলিশ কমিশনার ও দমকল বিভাগের আধিকারিকরাও।
কী পরিস্থিতি সেখানে?
মঙ্গলবার সকালে হঠাৎ করেই আগুন লাগে খড়দহের ঈশ্বরীপুর এলাকার একটি রঙের কারখানায়। কারখানা একাধিক রাসায়নিক ও দাহ্য বস্তু দ্বারা পূর্ণ হওয়া দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে আগুনের লেলিহান শিখা। হয়ে ওঠে আরও বিধ্বংসী। সাতসকালে এই অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়েই অকুস্থলে ছুটে যায় দমকলের পাঁচটি ইঞ্জিন। কিন্তু তারপরেও কোনও লাভ হয় না। আগুনের তীব্রতা ও দাবদাহ এতটাই যে তার সামনে টিকতে পারে না এই কয়েকটি ইঞ্জিন। তৎপরতার সঙ্গে তখনই আরও তিনট ইঞ্জিন পাঠায় দমকল। তবে তারপরেও যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা গিয়েছে এমনটা নয়।
হিমশিম খাচ্ছে দমকল
আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খেতে হয়েছে দমকল বাহিনীকে। সকাল ৮টার দিকে আরও গোটা দশেক ইঞ্জিন পাঠানো হয়। মোট ২০টি ইঞ্জিন মিলে চলে আগুন নেভানোর কাজ। বলে রাখা প্রয়োজন, যে এলাকায় এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, সেখানে ওই রঙের কারখানা ছাড়াও ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে আরও ছোট-বড় একাধিক কারখানা। এমনকি, বিধ্বংসী আগুন গোটা রঙের কারখানাকে ভস্মীভূত করে দেওয়ার পর তা ছড়িয়ে পড়ে পাশের একটি গেঞ্জি কারখানাতেও।
নিয়ন্ত্রণে এল আগুন
সাড়ে ৯টা নাগাদ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসে এই বিধ্বংসী আগুন। প্রাথমিক ভাবে অনুমান, শট সার্কিট থেকে এই লেলিহান অগ্নি শিখা তৈরি হয়েছিল। যা নিয়ন্ত্রণে আনতে কয়েক ঘণ্টা ধরে হিমশিম খেতে হয়েছে দমকল বাহিনীকে। তবে অবশেষে আগুনের যে মূল উৎস, তার কাছ অবধি পৌঁছে যেতে পেরেছে তাঁরা। এদিন দমকল বাহিনীর এক কর্তা বলেন, ‘আগুনটিকে চারিদিক দিয়ে ঘিরে ধরা হয়েছে। আমরা প্রতি মুহূর্তে চেষ্টা চালিয়েছি যেন আগুন এই কারখানার মধ্য়েই আটকে রাখার। পাশে আরও অনেক কারখানা রয়েছে। সেখানে ছড়িয়ে পড়লে বড় বিপদ ঘটতে পারত।’ আরও এক কর্তা জানিয়েছেন, ‘আগুন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। বিপদসীমার বাইরেই বলা যেতে পারে। তবে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, এখানে এতগুলো কারখানা রয়েছে। কিন্তু সেগুলির মধ্য়ে কোনও ব্যবধান নেই। একটার গায়েই অন্যটা যেন উঠে পড়েছে। যে কারণে একটা কারখানায় আগুন লাগায় তা অন্যগুলিতে ছড়িয়ে পড়ার সম্ভবনা বেড়ে গিয়েছিল। এখনও পর্যন্ত হতাহতের কোনও ঘটনা নেই।’