Pakistan at Trump’s Doorstep: বালোচিস্তানে বন্দর বানাতে ট্রাম্পের দুয়ারে শেহবাজ-মুনির! ভারতীয় বন্দরের অদূরেই জায়গা নির্ধারণ – Bengali News | Pakistan Urges Trump to Develop Arabian Sea Port Near India’s Chabahar
হোয়াইট হাউসে শেহবাজ-ট্রাম্প-মুনিরImage Credit: PTI
নয়াদিল্লি: বালোচিস্তানে বন্দর বানাতে ট্রাম্পের কাছে দ্বারস্থ মুনির। আমেরিকার মদতেই ওই প্রদেশে নতুন একটি অসামরিক বন্দর তৈরি করতে চায় তারা। বলে রাখা প্রয়োজন, এই বন্দর আবার একেবার ইরানে অবস্থিত ভারতের চাবাহার বন্দর লাগোয়া। কিন্তু হঠাৎ করেই কেন এই বন্দর তৈরি করতে চায় পাকিস্তান? আর আমেরিকার কাছেই বা কবে সেই আর্জি রাখল তারা?
সম্প্রতি ফের একবার আমেরিকা সফরে যান পাকিস্তানের চিফ মার্শাল তথা সেনা প্রধান আসিম মুনির। এবারের সফরে তাঁর সঙ্গী ছিলেন পাক প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফও। আর সেই ‘মুলাকাতের’ পরেই প্রকাশ্যে এল এই বন্দর তৈরির খবর। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেসের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, বালোচিস্তানের গদর জেলায় পাসনি শহরে আরব সাগরের উপরে বন্দর নির্মাণ ও পরিচালনার জন্য মার্কিন আধিকারিকদের কাছে প্রস্তাব দিয়েছে মুনিরের সঙ্গে যাওয়া আধিকারিকরা।
বালোচিস্তানের এই পাসনি শহর খনিজে ঠাসা। কিন্তু বাকি বিশ্বে সরবরাহের জন্য কোনও মাধ্য়ম নেই সেখানে। পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হলেও ওই এলাকায় ‘অলিখিত’ ক্ষমতা কায়েম রেখেছে বালোচরা। যার জেরে ব্যাকফুটে পড়তে হয় পাক সরকারকে। তবে কি সেই ‘চিন্তা’ দূরীকরণেই মার্কিন হস্তক্ষেপ চাইছে পাক প্রশাসন?
জানা গিয়েছে, কার্যত তেমনটাই পরিকল্পনা পাক প্রশাসনের। বন্দর নির্মাণের মাধ্যমে পাসনি শহরের বিরল খনিজ আমেরিকার হাতেই তুলে দিতে চায় তারা। সেই খনিজ উত্তোলনের জন্য মার্কিন খননকারী সংস্থাগুলিকেও তাদের দেশে বিনিয়োগ করার আর্জি জানিয়েছেন পাক আধিকারিকরা। বলে রাখা ভাল, এই সফরেই পাকিস্তান থেকে ট্রাম্পকে দেখাতে বেশ কিছু বিরল খনিজ নিয়ে গিয়েছিলেন শেহবাজ ও মুনির।
প্রসঙ্গত, বেশ কয়েক মাস আগে রুশ তেল নিয়ে বিতর্কের মাঝে পাকিস্তানে বিপুল তৈল ভান্ডার রয়েছে বলে দাবি করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমনকি ওয়াশিংটন, ইসলামাবাদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে বিশালাকার তৈল ভান্ডার তৈরি করবে বলেও দাবি করেন তিনি। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা বলেছিলেন, এই দাবি আসলে ট্রাম্পের নিজের নয়। তাঁকে টোপ দিয়েছেন মুনির। তাই পাকিস্তান থেকে তেল আনার স্বপ্ন দেখছেন তিনি। তবে সেই তৈল ভান্ডারের ভবিষ্যৎ এখনও নিশ্চিত হয়নি, আর তার মাঝেই নব্য সংযোজন খনিজ।