Panskura: ৭২ ঘণ্টা পার, অবশেষে কাজ থেকে বসিয়ে দেওয়া হল পাঁশকুড়ার সিভিককে – Bengali News | Panskura: After 72 hours, the civic worker from Panshkura was finally laid off from work.
বাঁ দিকে শ্যাম ভুঁইঞা, মাঝে অভিযুক্ত সিভিক ভলান্টিয়র, ডান দিকে কৃষ্ণেন্দুর মাImage Credit source: TV9 Bangla
পূর্ব মেদিনীপুর: অভিযোগের তিনদিন পার পাঁশকুড়ার চিপসকাণ্ড। অধরা শুভঙ্কর দীক্ষিত সিভিক কর্মীকে আপাতত কাজ থেকে অব্যহতি! মামলা চলাকালীন কাজে যোগ দিতে পারবে না। দোষ প্রমাণিত হলে খুব কড়া পদক্ষেপ করা হবে বলেও স্পষ্ট জানিয়েছেন পুলিশ সুপারের। তবে এখনও বেপাত্তা অভিযুক্ত সিভিক ভলান্টিয়র শুভঙ্কর। এখনও তাঁর খোঁজে এলাকায় চলছে তল্লাশি। এলাকার জামাই বলে পরিচিত শ্যামাপদ ভুঁইঞা নামে এক ব্যক্তির খোঁজ চলছে।
পাঁশকুড়া থানা পুলিশ সূত্রে খবর ,অভিযুক্ত সিভিক ভলেন্টিয়রকে তাঁর কাজ থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। মামলা চলাকালীন তিনি কাজে যোগ দিতে পারবেন না। যেহেতু অভিযোগকারী শুভঙ্কর দীক্ষিতের নামে মামলা করেছেন ছাত্রের মা, তাই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। সিভিক কর্মীর খোঁজে জোরদার তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে পুলিশ বলেও সূত্রের খবর।
যদিও এ বিষয়ে জেলা পুলিশ কর্তারা ক্যামেরার সামনে কিছুই বলেননি। পাঁশকুড়ার গোসাইবেড় নিয়ে ছাত্র কৃষ্ণেন্দু দাসের মৃত্যুর ঘটনায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে সিভিক কর্মী শুভঙ্কর দীক্ষিতের বিরুদ্ধে।
জেলা পুলিশ সুপার সৌম্যদীপ ভট্টাচার্য এই নির্দেশে সিলমোহর দেন। যদিও পুলিশের এই পদক্ষেপ নিয়ে ও প্রশ্ন তুলতে ছাড়েনি নাবালকের পরিবার-সহ বিরোধী দলগুলি। তমলুক সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল সভাপতি সুজিত কুমার রায় বলেন, “আমরাও চাই নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের কঠিন থেকে কঠিনতর শাস্তি দিক।” বিজেপির সাধারণ সম্পাদক তমলুক জেলা দেবব্রত পট্টনায়েক বলেন, “সিভিককে কাজ থেকে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে শুনেছি, কিন্তু তাতে তো আর মা সন্তান ফিরে পাবেন না? উপযুক্ত শাস্তি চাই।”
