ঘর থেকে রাস্তা অবধি রক্তের দাগ! মেমারিতে উদ্ধার দম্পতির নলি কাটা দেহ, উধাও ছেলে - 24 Ghanta Bangla News
Home

ঘর থেকে রাস্তা অবধি রক্তের দাগ! মেমারিতে উদ্ধার দম্পতির নলি কাটা দেহ, উধাও ছেলে

Spread the love

ঘর থেকে রাস্তা অবধি শুধু রক্তের দাগ। আর সেখানেই পড়ে রয়েছে স্বামী-স্ত্রীর গলার নলিকাটা রক্তাক্ত দেহ। সাতসকালে এমনই দৃশ্য দেখে ঘুম ভাঙল পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার এক নম্বর ব্লকের কাশিয়ারা মোড় কাজিপাড়া এলাকার বাসিন্দাদের। বুধবার সাত সকালে প্রৌঢ় দম্পতির রক্তাক্ত দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। কে বা কারা খুন করল, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। তবে এই ঘটনার পর থেকেই পলাতক দম্পতির সন্তান। ফলে সন্দেহের আঙুল তাঁর দিকেই।

আরও পড়ুন: এবার এনআইএ’‌র হাতে গ্রেফতার মূল অভিযুক্ত, ময়নার বিজেপি কর্মী খুনের রহস্যভেদ

জানা গিয়েছে, ওই দম্পতির নাম মোস্তাফিজুর রহমান। বয়স আনুমানিক ৬৫ বছর এবং তাঁর স্ত্রী মমতাজ পারভিন বয়স আনুমানিক ৫৫ বছর। স্থানীয় সূত্রের খবর, মমতাজ পারভিন স্বামী এবং সন্তানকে নিয়ে বেশ কিছুদিন আগেই মেমারিতে তাঁর বাবার বাড়িতে যান। তাঁরা বর্ধমান শহরের লস্কর এলাকার বাসিন্দা। এদিন স্থানীয় মানুষজন ঘুম থেকে উঠে দেখেন রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তার ওপর পড়ে আছে স্বামী এবং স্ত্রীর দেহ। ঘর থেকে রাস্তা পর্যন্ত রক্তের দাগ রয়েছে। তাতে বোঝা যাচ্ছে, দেহ দুটি ঘর থেকে টেনেহিঁচড়ে রাস্তায় আনা হয়েছে। স্থানীয়দের অনুমান, ঘরের ভিতরে খুন করার পর তাঁদের দেহ টেনে এনে বাইরে ফেলে দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মোস্তাফিজুর পেশায় একজন কৃষক। তাঁর অনেক জমি জায়গা আছে। তাঁর ছেলে বাইরে কাজ করতেন। সম্প্রতি তিনি বাড়ি ফিরেছেন।এদিন ঘটনার পরই তাঁদের ছেলে পলাতক। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মৃতদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যায়। স্থানীয়দের দাবি, দম্পতিকে নলি কেটে খুন করা হয়েছে।

জানা যাচ্ছে, ঘটনার আগে দম্পতির ছেলে বাড়িতে ছিলেন। তবে খুনের ঘটনার পর থেকে তাঁর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে পুরো ঘটনার পিছনে স্থানীয়দের অনেকেই আঙুল তুলেছেন দম্পতির ছেলের দিকে। যদিও কে বা কারা খুনের সঙ্গে জড়িত, কী কারণে খুন, সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ। স্থানীয়দের দাবি, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। গোটা ঘটনা তদন্ত করছে পুলিশ। দম্পতির ছেলের খোঁজ করছে পুলিশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *