Sandip Ghosh: মৃতদেহ লোপাটের অভিযোগের পরও চুপ ছিল পুলিশ? সন্দীপ ঘোষকে নিয়ে হাইকোর্টে চরম অস্বস্তিতে রাজ্য – Bengali News | Why RG Kar Ex principal sandip ghosh’s case investigation started so late, High Court raises question
হাইকোর্টে সন্দীপ ঘোষকে নিয়ে মামলাImage Credit source: GFX- TV9 Bangla
কলকাতা: অভিযোগ উঠল অন্তত এক বছর আগে। আর তদন্ত শুরু হল সম্প্রতি! রাজ্যের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে এবার প্রশ্ন তুলল কলকাতা হাইকোর্ট। সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে আরজি করের প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আখতার আলি যে মামলা করেছেন, তা নিয়ে রীতিমতো অস্বস্তিতে পড়তে হল রাজ্যকে। বছর পার হয়ে যাওয়ার পর কেন সিট (SIT) গঠন হল? সেই প্রশ্ন তুলেছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ।
আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। মেডিক্যাল বর্জ্য পাচার থেকে শুরু করে মৃতদেহ লোপাট করার মতো অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি পুলিশের সিট সেই দুর্নীতির তদন্ত শুরু করেছে। আরজি করের তরুণী চিকিৎসকের মৃত্যুর পর যখন সিবিআই সন্দীপ ঘোষকে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করছে, তখন সিট তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে। এরই মধ্যে হাইকোর্টে নতুন করে মামলা করেছেন আখতার আলি। বৃহস্পতিবার ছিল, সেই মামলার শুনানি।
আদালত বলেছে, সিটের মাথায় সব সিনিয়র অফিসারদের রাখা হয়েছে, তার মানে রাজ্য এটাকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। বিচারপতি প্রশ্ন করেন, ১৬ অগস্ট কেন সিট গঠন, কেন ২০২৩ সালের অভিযোগের পরে হল না? রাজ্যের তরফে আইনজীবী অমিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, রাজ্য অস্বীকার করছে না এটা সিরিয়াস অভিযোগ। তাই সিট গঠন করা হয়েছে।
এই খবরটিও পড়ুন
আখতার আলির তরফে আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি উল্লেখ করেন, মর্গ থেকে দেহ লোপাটের অভিযোগ উঠেছিল। ২০২৩ সালের ১১ জানুয়ারি দেহ লোপাটের ঘটনা সামনে আসে। মেডিক্যাল ওয়েস্ট নিয়েও দুর্নীতি হয়। গত বছরের এপ্রিল মাসে দুর্নীতি দমন শাখায় অভিযোগ করা হয়, তারা কোনও তদন্ত না করে রাজ্যকে এক্তিয়ার নেই বলে জানিয়ে দেয়। তার আগে রাজ্যে মানবাধিকার কমিশনে জানানো হলে সেখান থেকে তলব করা হয় সন্দীপ ঘোষকে।
রাজ্যের তরফে পাল্টা প্রশ্ন, এক বছর আগে অভিযোগ জানানোর পর কোনও কাজ না হওয়া সত্ত্বেও কেন মামলাকারী চুপ ছিল? আরজি করের ঘটনা ঘটার পর কেন তাদের ঘুম ভাঙল? শুক্রবার দুপুর ১২টায় ফের এই মামলার শুনানি হবে।
আরও খবর পড়তে ডাউনলোড করুন Tv9 বাংলা অ্যাপ (Android/ iOs)