Suvendu Adhikari: ফের ৭ দিনের ‘আল্টিমেটাম’ শুভেন্দুর, দিলেন কড়া হুঁশিয়ারি – Bengali News | Suvendu Adhikari gave a 7 day ultimatum on the death of a BJP worker, gave a stern warning
শুভেন্দু অধিকারী, বিধানসভার বিরোধী দলনেতাImage Credit source: TV-9 Bangla
বাঁকুড়া: বঙ্কু বিহারী মাহাতো খুনের ঘটনায় এবার সাতদিনের আল্টিমেটাম দিয়ে দিলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সাফ বলে দিলেন, সাতদিনের মধ্যে অভিযুক্তরা গ্রেফতার না হলে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে দিয়ে তদন্ত করার দাবি জানিয়ে আদালতে আবেদন করা হবে। এদিন বাঁকুড়ার খাতড়া থানার দেদুয়া গ্রামে মৃতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করে পুলিশকে এমন হুঁশিয়ারি দিলেন শুভেন্দু। ঘটনার প্রতিবাদে বাঁকুড়ার খাতড়ায় দলের নেতা কর্মীদের নিয়ে প্রতিবাদ মিছিলও করেন তিনি। দলের তরফে মৃতের পরিবারকে আর্থিক সাহায্যও তুলে দেন শুভেন্দু অধিকারী।
গত মঙ্গলবার বাঁকুড়ার দেদুয়া গ্রামে মৃত্যু হয় বঙ্কুবিহারী মাহাতো নামের এক বাসিন্দার। পরিবারের সদস্যরা জানাচ্ছেন তিনি বিজেপি করতেন। সে কারণেই তৃণমূলের লোকজন তাঁকে খুন করেছে। এই অভিযোগ তুলেই মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকেই ময়দানে নামে বিজেপি। ঘটনার দিনই গ্রাম থেকে তৃণমূল কর্মী হিসাবে পরিচিত ৩ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। যদিও ঘটনাটি জমি বিবাদের জেরে ঘটেছে বলে দাবি করে পুলিশ। একদিন আগে মুখ্যমন্ত্রীও দাবি করেন বঙ্কু বিহারী মাহাতোর মৃত্যুর সঙ্গে রাজনীতির যোগ নেই।
এই খবরটিও পড়ুন
এরইমধ্যে এদিন দেদুয়া গ্রামে গিয়ে মৃতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন শুভেন্দু। তাঁদের হাতে আর্থিক সাহায্য তুলে দিয়ে পাশে থাকারও আশ্বাস দেন। পরে এই ঘটনার প্রতিবাদে ও দোষীদের দ্রুত গ্রেফতারির দাবীতে খাতড়া পাম্প মোড় থেকে দাসের মোড় পর্যন্ত দলের কর্মীদের নিয়ে মিছিল করেন শুভেন্দু। লাগাতার তোপ দাগেন তৃণমূলের বিরুদ্ধে। তদন্তের আগেই মুখ্যমন্ত্রী কীভাবে ঘটনাটিকে জমি নিয়ে বিবাদ সংক্রান্ত গন্ডগোল বলে দাবি করলেন তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, ঘটনার মূল অভিযুক্ত স্থানীয় পঞ্চায়েতের উপ প্রধান তথা স্থানীয় তৃনমূল নেতা উত্তম মাহাতোকে এখনও গ্রেফতার করেনি পুলিশ। সাত দিনের মধ্যে অভিযুক্তরা গ্রেফতার না হলে কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে দিয়ে তদন্ত করানোর জন্য হাইকোর্টে আবেদন জানানো হবে। এদিন মৃতের বাড়িতে দাঁড়িয়ে এই ঘটনার জন্য বাঁকুড়ার নব নির্বাচিত সাংসদ তথা তৃনমূলের বাঁকুড়া জেলা সভাপতি অরূপ চক্রবর্তীকেও একহাত নেন শুভেন্দু অধিকারী।