আমেদাবাদের এয়ার ক্র্যাশের এক বছর পার, আজও ওঁদের তাড়া করে বেড়ায় প্লেনের শব্দ
এই সময়: একটা কিছু যেন আটকে থাকে বুকের ভিতরে। মাথার উপর দিয়ে প্লেন উড়ে গেলে, তার শব্দে মুচড়ে ওঠে ‘কলিজা’।
২৬০টি মৃতদেহের মধ্যে ২৫ বছরের ফাইজ়ানকে ভালো করে শনাক্তও করতে পারেননি রফিক আরব। কফিনবন্দি দেহটা দাফন করে নতমুখে ফিরেছিলেন বাড়িতে বাবা। এক ব্রিটিশ ইউনিভার্সিটি–তে ইসলামিক স্টাডিজ়ের ছাত্র ফাইজ়ান ছুটিতে দিউ–য়ে বাড়িতে এসেছিলেন। ২০২৫–এর ১২ জুন ফিরছিলেন লন্ডন। আমেদাবাদ থেকে টেক–অফ করেই ভেঙে পড়েছিল এয়ার ইন্ডিয়ার ড্রিমলাইনার। এই এক বছরে আর বিমানবন্দরমুখো হননি রফিক। মনস্থির করেছেন, বাকি জীবনটাও ফ্লাইটে উঠবেন না।