Anubrata Mondal Kali Pujo: ৬৫০ ভরি সোনার গয়নায় মা কালীকে সাজাতেন কেষ্ট! আবারও উঠে এল দুর্নীতি সিরিজের এক অধ্যায় – Bengali News | Anubrata mondal kali pujo: ED officials raided Bolpur bank branch
কেষ্টর কালী পুজো (ফাইল ছবি)Image Credit source: TV9 Bangla
বীরভূম: এখনও ‘কেষ্ট’-চ্যাপ্টার মুছে যায়নি। এবার ইডি-র নজরে কেষ্টর কালী বিগ্রহের গায়ের সোনার গয়না। আর সে কারণেই বুধবার সকালে বোলপুরের রাষ্ট্রায়ত্ত হানা দিলেন ইডি আধিকারিকরা। সূত্রের খবর, গরু পাচারকাণ্ডের তদন্তে বোলপুর তৃণমূল কার্যালয়ের হিসাব সংক্রান্ত বিষয়ে জানতেই ব্যাঙ্কে তল্লাশি অভিযান চালান ইডি আধিকারিকরা। ইডি-র দাবি, বিপুল অঙ্কের অর্থ ব্যয় করে তৈরি করা হয়েছে বোলপুরে তৃণমূলের জেলা কার্যালয়। তার হিসাব নিতেই এবং ওই তৃণমূল কার্যালয়ের মা কালীর প্রায় ৮০০ ভরি গয়না রয়েছে। সে বিষয়ে খোঁজখবর নিতেই ইডি আধিকারিকরা বোলপুরের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে যান।
বুধবার বেলা ১২ টার কিছুটা পর, বোলপুরের ওই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে পৌঁছন ইডি আধিকারিকরা। সঙ্গে সঙ্গে গোটা ব্যাঙ্ক চত্বর ঘিরে ফেলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। ব্যাঙ্কের কর্মীরা রীতিমতো হতভম্ব হয়ে পড়েন। প্রথমটা বিষয়টা বুঝতেই পারেননি তাঁরা। পরে ইডি আধিকারিকরা জানান আসল বিষয়টা।
সূত্রের খবর, বোলপুরের পার্টি অফিসে প্রতি বছরই ধূমধাম করে কালী পুজো হত। ভরি ভরি সোনার গয়না কালী প্রতিমাকে নিজের হাতে সাজাতেন অনুব্রত মণ্ডল। সোনার মুকুট, বাজুবন্ধন, কানের দুল, হার, আঙটি, কোমরের বিছে, বাউটি-সব মিলিয়ে প্রায় ৫৬০ ভরি সোনার গয়নায় সাজত কালী। কেষ্টর কালীভক্তি কারোর অজানা নয়। নজর কাড়ত কেষ্টর গায়ের কালীপ্রতিমার অলঙ্কারও। পুজোর পর সেই গয়না রাখা হত এই ব্যাঙ্কেরই লকারে। যখন গরু পাচার মামলার তদন্ত চলছিল, তখন প্রাথমিক পর্যায়েই কালীপ্রতিমার এই গয়না কেনার টাকার উৎস নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। সেই বিষয়ে খোঁজখবর করতেই এবার ব্যাঙ্কে হানা ইডি-র।