আমেরিকানদেরও টুপি পরাচ্ছে! ফের কলকাতার কলসেন্টার কাণ্ডে টাকার পাহাড় পেল পুলিশ, বাংলার মুখ - 24 Ghanta Bangla News
Home

আমেরিকানদেরও টুপি পরাচ্ছে! ফের কলকাতার কলসেন্টার কাণ্ডে টাকার পাহাড় পেল পুলিশ, বাংলার মুখ

Spread the love

বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটে বড় অভিযান। সল্টলেকের ভুয়ো কলসেন্টারে বড় অভিযান। একাবারে টাকার পাহাড় বাজেয়াপ্ত করল পুলিশ। একটি দরজার আড়ালে গোপন কুঠুরিতে ট্রলি ব্যাগ ভর্তি বিপুল টাকার সন্ধান পায় পুলিশ। এরপরই পুলিশ থরে থরে সোনার গয়না ও নগদ টাকার সন্ধান পায়।

আমেরিকার বাসিন্দাদের টেক সাপোর্ট দেওয়ার নাম করে প্রতারণা। বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট প্রচুর নগদ টাকা বাজেয়াপ্ত করেছে। প্রায় ৪০ লাখ টাকার গয়না। টেক সাপোর্ট দেওয়ার নামে প্রতারণা। বাংলায় বসে প্রতারণা আমেরিকায়। গয়না ও নগদ মিলিয়ে ৩ কোটি ৩ লক্ষের হদিশ পেল পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, আগে আমরা ৬৭ লাখ টাকা বাজেয়াপ্ত করেছিলাম। এরা টেক সাপোর্ট দেওয়ার নাম করে আমেরিকার বাসিন্দাদের বোকা বানিয়ে দুতিনটে অ্যাপের মাধ্য়মে টাকা হাতিয়ে নিত।

বিধাননগর পুলিশ জানিয়েছে বিধান নগর পুলিশের অভিযানে সল্টলেক সেক্টর ফাইভে অবৈধ আন্তর্জাতিক কল সেন্টার এর পর্দা ফাঁস কাণ্ডে পুনরায় উদ্ধার বিপুল পরিমাণ টাকা। কল সেন্টার মালিকের বাড়িতে অভিযান চলাকালীন বাড়ির গোপন স্থান থেকে পুনরায় উদ্ধার ৩ কোটি ৩লক্ষ টাকা এবং আনুমানিক ৪০ লক্ষ টাকার সোনার গয়না বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

একেবারে থরে থরে টাকা রাখা ছিল গোপন কুঠুরিতে। তল্লাশি চালানোর পরে উদ্ধার করা হয়েছে ওই বিপুল টাকা।

সূত্রের খবর, দিন দুয়েক আগেই পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান চালিয়েছিল। এরপর পুলিশ অন্তত তিনজনকে গ্রেফতার করেছিল। তাদের জেরা করে পুলিশ নানা তথ্য় পেয়েছিল। বিপুল টাকাও উদ্ধার করেছিল। ফের সেই অভিযান। আবার টাকার পাহাড়ের সন্ধান পেল পুলিশ।

এর আগে গত ২৬শে মার্চ পুলিশ জানিয়েছিল, একটা আন্তর্জাতিক কলসেন্টারের আমাদের যৌথ অভিযান হয়েছিল । বিল্ডিংয়ের ২২ তলায় একটি কলসেন্টার কাজ করছিল। সেখানকার কিছু ইনপুট এসেছিল। সেখানে অভিযান চালানো হয়।সেখানে দেবেন্দ্র সিং বেহালার বাসিন্দা ও সাজু শেখ তার বাড়ি এন্টালি তাদের খোঁজ মেলে। সেখানে দুজন ছিল। ল্যাপটপ ও ডেস্কটপ ছিল। সেখানে ডায়ালার ছিল। সেই ডায়ালার ব্যবহার করে তারা কল করত। আমরা জেরা করার পরে জানতে পারি তার কাছে আমেরিকার বাসিন্দা ও অন্যান্য দেশের বাসিন্দাদের তথ্য় ছিল। লক্ষ লক্ষ লোকের তথ্য় ছিল তাদের কাছে। তাদেরকে ফোন করত। এরপর টেক সাপোর্ট দেওয়ার নাম করে আর্থিক প্রতারণা করত। গিফট কার্ড বা বিট কয়েনের মাধ্যমে তারা টাকা হাতিয়ে নিত। এরপর তারা টাকা নিজেদের অ্যাকাউন্টে নিয়ে আসত।সেই সময় পুলিশ জানিয়েছিল, সব মিলিয়ে ৬৭ লাখ টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। তাদের কাছ থেকে সব মিলিয়ে ১৪টা ফোন, ল্যাপটপ, ডেস্কটপ পেয়েছি।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *