২৫০ সিসিটিভি ও এআই ক্যামেরায় মুড়ে ফেলল দিল্লি পুলিশ - 24 Ghanta Bangla News
Home

২৫০ সিসিটিভি ও এআই ক্যামেরায় মুড়ে ফেলল দিল্লি পুলিশ

Spread the love

নয়াদিল্লি: ভোটার তালিকার বিশেষ সংক্ষিপ্ত সংশোধন প্রক্রিয়ায় (SIR) ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ তুলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আগামী ১ নভেম্বর দিল্লির ঐতিহাসিক রামলীলা…

নয়াদিল্লি: ভোটার তালিকার বিশেষ সংক্ষিপ্ত সংশোধন প্রক্রিয়ায় (SIR) ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ তুলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আগামী ১ নভেম্বর দিল্লির ঐতিহাসিক রামলীলা ময়দানে ইন্ডিয়া (INDIA) জোটের এক মেগা সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়েছে। এই রাজনৈতিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে তৈরি হয়েছে ব্যাপক চাঞ্চল্য। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবং ভিড় সামাল দিতে রামলীলা ময়দান ও তার আশেপাশের এলাকায় নজিরবিহীন ও উচ্চ প্রযুক্তির নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে দিল্লি পুলিশ।

১২ একর জুড়ে বিস্তৃত রামলীলা ময়দান চত্বরটিকে মোট ১৪টি জোনে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি জোনের দায়িত্বে থাকছেন একজন সহকারী কমিশনার অফ পুলিশ (ACP) পদমর্যাদার আধিকারিক। পুরো নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ৮টি অঞ্চলে ভাগ করে তার ওপর নজরদারি চালাচ্ছেন শীর্ষ স্তরের পুলিশ কর্তারা। প্রায় ৩,০০০ থেকে ৩,৫০০ পুলিশ কর্মী এবং একাধিক কেন্দ্রীয় আধা-সামরিক বাহিনী (CAPF) মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া এই সমাবেশে প্রায় ৫০ হাজার মানুষের জমায়েত হতে পারে বলে অনুমান করছে প্রশাসন।

সিসিটিভি ও এআই (AI) প্রযুক্তির নজরদারি: সমগ্র ভেন্যু এবং এর প্রবেশ ও প্রস্থান পথগুলিতে নজরদারির জন্য ২০০ থেকে ২৫০টি হাই-ডেফিনেশন সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। এর পাশাপাশি ভিড়ের মধ্যে সন্দেহভাজনদের চিহ্নিত করতে বিশেষ এআই-সক্ষম (AI-enabled) ফেস স্ক্যানিং ক্যামেরা এবং পুলিশ কর্মীদের শরীরে বডি-ওয়ার্ন ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে। লাইভ মনিটরিংয়ের জন্য তৈরি করা হয়েছে অস্থায়ী কন্ট্রোল রুম।

প্রবেশ ও তল্লাশি: ময়দানের মোট আটটি গেটের মধ্যে সাধারণ মানুষের প্রবেশের জন্য খোলা থাকবে মাত্র তিনটি গেট। ভিআইপি ও জ্যেষ্ঠ পুলিশ অফিসারদের জন্য আলাদা গেট সংরক্ষিত রাখা হয়েছে। সমাবেশে যোগ দিতে আসা প্রত্যেককে ময়দানে ঢোকার আগে অন্তত দু’দফা কড়া চেকিং ও মেটাল ডিটেক্টরের মুখোমুখি হতে হবে।

জরুরি অবস্থা মোকাবিলা ও কড়া নির্দেশিকা

সমাবেশ চলাকালীন কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে বিশেষ ইভাকুয়েশন রুট বা জরুরি প্রস্থান পথ রাখা হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, পূর্বনির্ধারিত সময়সীমা (সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা) মেনে সমাবেশ শেষ করতে হবে এবং ময়দানে কোনোভাবেই রাত কাটানো বা অননুমোদিত মিছিল করা যাবে না। আয়োজকদের পর্যাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগের পাশাপাশি পানীয় জল ও শৌচাগারের বন্দোবস্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

যুদ্ধে নামছে ৮ স্টিলথ জাহাজ! ৪০ হাজার কোটি অনুমোদন মোদী সরকারের

রাজধানীর ব্যবসায় ক্ষতি! ৫০ কোটির দাবি করে মামলা আরশোলাদের বিরুদ্ধে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *