ভারতে অনুমোদন না পেয়ে আম্বানির মত ধন কুবেরদের দোষারোপ মাস্কের - 24 Ghanta Bangla News
Home

ভারতে অনুমোদন না পেয়ে আম্বানির মত ধন কুবেরদের দোষারোপ মাস্কের

Spread the love

নয়াদিল্লি: ইলন মাস্কের স্টারলিংককে ভারতে অনুমোদন না (Elon Musk)পাওয়ার ক্ষোভ প্রকাশ করে দেওয়া মন্তব্য নিয়ে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সাম্প্রতিক এক মন্তব্যে মাস্ক অভিযোগ করেন…

নয়াদিল্লি: ইলন মাস্কের স্টারলিংককে ভারতে অনুমোদন না (Elon Musk)পাওয়ার ক্ষোভ প্রকাশ করে দেওয়া মন্তব্য নিয়ে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সাম্প্রতিক এক মন্তব্যে মাস্ক অভিযোগ করেন যে আম্বানির মত কিছু ধন কুবের ভারতীয় জনগণের ওপর একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে স্টারলিংককে বাধা দিচ্ছে। এই মন্তব্যের পরপরই ভারতীয় সরকার ও বিভিন্ন মহল থেকে প্রতিক্রিয়া আসে। সরকার দাবি করে যে অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং সব স্যাটেলাইট পরিষেবা প্রদানকারী একই নিয়ন্ত্রক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

এই পরিস্থিতিতে আমেরিকান সাংবাদিক ও বিশ্লেষক ফরিদ জাকারিয়া তাঁর মতামত দিয়েছেন(Elon Musk)। তিনি বলেন, ইলন মাস্ক ভারতে ব্যবসার জন্য সবচেয়ে খারাপ সময় বেছে নিয়েছেন। জাকারিয়ার মতে, মাস্ক বুঝতে পারেননি যে ভারতসহ বিশ্বের অনেক জায়গায় আমেরিকার প্রতি আস্থা কমে যাচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন যে ভারতীয়রা দেখছে মার্কিন নীতির পরিবর্তন এবং অন্যান্য দেশের সঙ্গে সম্পর্কের ওঠানামা।

আরও দেখুনঃ ইউরোপ জুড়ে বিক্ষোভ! বার্লিনে ভারতীয়দের নিয়ে অহংকার পিযুষ গোয়েলের

স্টারলিংক ভারতে গ্রামীণ এলাকায় ইন্টারনেট পৌঁছে দিতে চায় বলে মাস্কের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। তবে অনুমোদন প্রক্রিয়া দীর্ঘ হওয়ায় তিনি হতাশা প্রকাশ করেন এবং তা সরাসরি কিছু শিল্পগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে তুলে ধরেন। এর জবাবে ভারতে জাতীয়তাবাদী গোষ্ঠীসহ অনেকে জাতীয় নিরাপত্তার কথা তুলে ধরে স্টারলিংকের অনুমোদন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। মিডিয়া ও সামাজিক মাধ্যমেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

জাকারিয়া আরও বলেন, বিশ্বজুড়ে আমেরিকার প্রতি আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে। ভারত থেকে কানাডা, পশ্চিম এশিয়া থেকে ইউরোপ অনেক দেশ এখন নিশ্চিত নয় যে তারা আমেরিকার ওপর নির্ভর করতে পারে কি না। তিনি সতর্ক করেন যে এই আস্থা হারানোর পরিণতি গুরুতর হতে পারে। স্টারলিংকের মতো প্রযুক্তিগত পরিকাঠামো জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় ভারতের মতো দেশগুলো সতর্ক থাকছে বলে তিনি মনে করেন।

এই বিতর্ক শুধু ব্যবসায়িক নয়, ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। একদিকে মাস্কের পক্ষ থেকে যুক্তি দেওয়া হচ্ছে যে স্টারলিংক সাধারণ মানুষের উপকারে আসবে এবং প্রতিযোগিতা বাড়াবে। অন্যদিকে ভারতীয় মহল থেকে বলা হচ্ছে যে নিয়ন্ত্রক প্রক্রিয়া সবার জন্য সমান এবং জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। সরকারের অবস্থান হলো যে কোনো বিদেশি সংস্থাকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে না।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, (Elon Musk)এই ঘটনা বৈশ্বিক ব্যবসায়িক সম্পর্কের জটিলতা তুলে ধরছে। প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো যখন সরকারি নীতির সমালোচনা করে, তখন তা অনেক সময় পাল্টা প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়ে। ভারতের মতো বড় বাজারে প্রবেশের জন্য ধৈর্য ও কূটনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি জরুরি বলে অনেকে মত দিচ্ছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *