ড্রোন সক্ষমতার দিক থেকে বিশ্বের ১০টি শক্তিশালী দেশ, কোন স্থানে ভারত-পাক? - 24 Ghanta Bangla News
Home

ড্রোন সক্ষমতার দিক থেকে বিশ্বের ১০টি শক্তিশালী দেশ, কোন স্থানে ভারত-পাক?

Spread the love

Top 10 Most Powerful Air force: বর্তমান যুগে আকাশযুদ্ধের প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ বদলে গেছে। এর প্রধান কারণ হলো বিভিন্ন সংঘাতের ক্ষেত্রে ড্রোনের ব্যাপক ব্যবহার। ড্রোনগুলো সাশ্রয়ী,…

Top 10 Most Powerful Air force: বর্তমান যুগে আকাশযুদ্ধের প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ বদলে গেছে। এর প্রধান কারণ হলো বিভিন্ন সংঘাতের ক্ষেত্রে ড্রোনের ব্যাপক ব্যবহার। ড্রোনগুলো সাশ্রয়ী, চালকবিহীন এবং শত্রুর ভূখণ্ডের গভীরে প্রবেশ করতে সক্ষম। এগুলো আক্রমণ পরিচালনা থেকে শুরু করে গুপ্তচরবৃত্তি ও নজরদারির মতো নানা ধরনের অভিযান সম্পন্ন করতে পারে। সাম্প্রতিক অনেক যুদ্ধ ও সংঘাতের ক্ষেত্রে ড্রোনগুলো তাদের সক্ষমতার অসাধারণ প্রমাণ দিয়েছে। আর এ কারণেই, বর্তমানে বিশ্বের প্রতিটি রাষ্ট্রই আরও শক্তিশালী ড্রোন বাহিনী গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

ড্রোন প্রযুক্তিতে এগিয়ে যুক্তরাষ্ট্র

‘সিম্পল ফ্লাইং’-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বের বৃহত্তম ড্রোন বহর রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের দখলে। তবে ড্রোন সক্ষমতার দিক থেকে এই তালিকায় যে রাশিয়া বা চিনই যুক্তরাষ্ট্রের ঠিক পরেই থাকবে – এমনটি নয়; বরং ড্রোন প্রযুক্তিতে বিশ্বের শীর্ষ ১০টি শক্তিশালী দেশের তালিকাটি বেশ চমকপ্রদ। এই তালিকায় ভারতকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি, অথচ পাকিস্তান এতে স্থান পেয়েছে। ফলে, এই তালিকার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। যাই হোক, ড্রোন প্রযুক্তির দিক থেকে বিশ্বের কোন কোন দেশ সবচেয়ে শক্তিশালী, তা একবার দেখে নেওয়া যাক।

যুক্তরাষ্ট্র: ৪৪৪ টি MQ-9A Reaper, MQ-1C Gray Eagle ড্রোন
তুরস্ক: ৪৪৩টি Bayraktar TB2/TB3, Akıncı, Anka, Aksungur ড্রোন
ইরান: 328 টি শাহেদ-129, মোহাজের-6, আবাবিল সিরিজ ড্রোন
সৌদি আরব: ৩০৬ টি CH-4, CH-5, Wing Loong II ড্রোন
চিন: ১৬০ টি Wing Loong II, GJ-11 Sharp Sword, CH-4/CH-5 ড্রোন
রাশিয়া: ১০৫টি Orion, S-70 Okhotnik-B, Geran/Shahed-এর বিভিন্ন সংস্করণ
পাকিস্তান: ৯৫টি উইং লুং II, CH-4, শাহপার-II ড্রোন
মিশর: ৩২টি উইং লুং I/II, CH-4 ড্রোন
পোল্যান্ড: ২৪টি Bayraktar TB2, FlyEye, Warmate ড্রোন
ফ্রান্স: ১৬টি MQ-9 রিপার, সাফরান প্যাট্রোলার ড্রোন

ড্রোন সংক্রান্ত সংখ্যাগুলো প্রাক্কলিত

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, উপরে দেওয়া সংখ্যাগুলো প্রাক্কলিত। সঠিক সংখ্যা নির্ণয় করা সম্ভব নয়। এর প্রধান কারণ হলো, এই দেশগুলো খুব কমই পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করে এবং বিভিন্ন ডেটাবেসে যুদ্ধক্ষমতাসম্পন্ন ড্রোনগুলোকে ভিন্ন ভিন্নভাবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়। নতুন ইউনিট যুক্ত হওয়া, পুরনো ইউনিট প্রত্যাহার, যুদ্ধক্ষেত্রে ক্ষয়ক্ষতি এবং নতুন সরঞ্জাম সংগ্রহের কারণে কোনো বহরের গঠন প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হতে থাকে। তা সত্ত্বেও, এটি বলা যায় যে – যেসকল দেশের নিজস্ব ড্রোন উৎপাদন শিল্প রয়েছে – সেই দেশগুলোই এক্ষেত্রে এগিয়ে আছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *