আরশোলাদের বিক্ষোভের জেরে ব্যবসা বন্ধ! কনাট প্লেসে শ্মশানের নীরবতা - 24 Ghanta Bangla News
Home

আরশোলাদের বিক্ষোভের জেরে ব্যবসা বন্ধ! কনাট প্লেসে শ্মশানের নীরবতা

Spread the love

নয়াদিল্লি: কনাট প্লেস আজকাল অদ্ভুতভাবে শান্ত। (Connaught Place)রবিবার, উৎসবের মরশুম, তবুও রাস্তায় কেনাকাটার ভিড় নেই। ব্যারিকেড, রাস্তা বন্ধ আর যানজটের কারণে ক্রেতারা দূরে সরে যাচ্ছেন।…

নয়াদিল্লি: কনাট প্লেস আজকাল অদ্ভুতভাবে শান্ত। (Connaught Place)রবিবার, উৎসবের মরশুম, তবুও রাস্তায় কেনাকাটার ভিড় নেই। ব্যারিকেড, রাস্তা বন্ধ আর যানজটের কারণে ক্রেতারা দূরে সরে যাচ্ছেন। সিজেপির বিক্ষোভের রাজনীতির দাম চোকাতে হচ্ছে সাধারণ ব্যবসায়ীদের।

দিল্লির কনাট প্লেস একসময় সবসময় জমজমাট থাকত। (Connaught Place)উৎসবের আগে কেনাকাটার হিড়িক পড়ত। কিন্তু এবার পরিস্থিতি অন্যরকম। সিজেপি বা ককরোচ জনতা পার্টির ডাকা বিক্ষোভের কারণে এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সেন্ট্রাল পার্ক বন্ধ রাখা হয়েছে, চারপাশে ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছে, রাস্তাগুলোতে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। ফলে সাধারণ মানুষ বাজার করতে আসতে চাইছেন না। দোকানগুলো খোলা থাকলেও ক্রেতার দেখা নেই।

আরও দেখুনঃ

ব্যবসায়ীরা বলছেন, প্রতিবাদ করার অধিকার সবার আছে, কিন্তু তার জন্য সাধারণ মানুষের জীবিকা নষ্ট হওয়া উচিত নয়। অনেকেই বলছেন, উৎসবের এই সময়টাই তাদের বছরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই সময়ে যা আয় হয়, তাতেই সারা বছরের খরচ চলে। কিন্তু বারবার বিক্ষোভ আর নিরাপত্তাজনিত বিধিনিষেধের কারণে ব্যবসা ধুঁকছে। কেউ কেউ বলছেন, বিক্রি কমে গেছে ৭০-৯০ শতাংশ পর্যন্ত। কিছু দোকানে দিনভর একজনও ক্রেতা আসেননি।

পালিকা বাজার, জানপথ বা কনাট প্লেসের ছোটখাটো দোকানিরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত(Connaught Place)। ভাড়া, কর্মচারীদের বেতন, বিদ্যুৎ বিল সব চালাতে হচ্ছে, অথচ আয় নেই। অটোচালক থেকে শুরু করে রেস্তোরাঁর মালিক পর্যন্ত সবাই একই কথা বলছেন। বিক্ষোভের খবর শুনেই মানুষ এলাকা এড়িয়ে চলছেন। পরিবার নিয়ে কেনাকাটা করতে আসার কথা ভাবছেন না কেউ।

দিল্লি হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টেও এই বিষয়টি উঠেছে। ব্যবসায়ীরা আদালতে গিয়ে বলেছেন, বারবার বিক্ষোভের কারণে তাদের জীবিকা বিপন্ন। আদালতও স্বীকার করেছে যে ছোট দোকানিদের কষ্টের কথা বিবেচনা করা দরকার। পুলিশ বলেছে, তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছে। কিন্তু ব্যারিকেড আর যানজটের বাস্তবতা পাল্টে যায়নি।

প্রতিবাদ গণতন্ত্রের অংশ। কিন্তু যখন সেই প্রতিবাদ বাণিজ্যিক কেন্দ্রে হয়, তখন সাধারণ মানুষের কষ্ট বাড়ে। কনাট প্লেস দিল্লির অন্যতম ব্যস্ত বাণিজ্যিক এলাকা। এখানে প্রতিবাদ হলে পুরো এলাকার জীবনযাত্রা থেমে যায়। ব্যবসায়ীরা বারবার অনুরোধ করেছেন, নির্দিষ্ট স্থানে প্রতিবাদ করা হোক, যাতে বাজার ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। কিন্তু সেই অনুরোধ মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *