‘কোনও কিছু প্রমাণ করার ছিল না’, ডার্বি জিতে জবাব পানোসের, মাথায় ৭টি সেলাই পড়ল দ্রাজ়িচের
ডুরান্ডের হারের বদলাকে অবশ্য প্রতিশোধ বলতে রাজি নন গ্রিক কোচ। সুবজ-মেরুন কোচ বলেন, ‘কারও বিরুদ্ধে আমার কোনও রকম খারাপ অনুভূতি নেই। এটা ফুটবল। আমরা প্রথম ম্যাচ জিতেছিলাম, পরের ম্যাচ হেরেছিলাম। আজ আমরা নিজেদের পারফরম্যান্স দিয়ে প্রমাণ করেছি। আগের ম্যাচে আমি সন্তুষ্ট ছিলাম না। আজ স্বস্তি পেয়েছি, কারণ আমার দলকে ভালো খেলতে এবং পারফর্ম করতে দেখেছি।’ ম্যাচের পর নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সমালোচনাকেও গুরুত্ব দেননি পানোস। তাঁর সাফ দাবি, ‘কে কী বলছে, তাতে আমার কিছু যায় আসে না। আমার কিছু প্রমাণ করারও ছিল না। আমি জানি, কী ভাবে কাজ করতে হয়। ইউরোপের অনেক দল যে ধরনের ফুটবল খেলে, আমি সেই ধরনের ফুটবলই খেলাতে চাই। তাই আমি এখানে এসেছি।’
জ়েলকোভিচে মুগ্ধ পানোস
মোহনবাগানের জয়ের নায়ক সমীর জ়েলকোভিচ। কোচের পরিকল্পনা অনুযায়ী ৮ নম্বর পজিশনে থেকে বার বার বক্সে ঢোকার চেষ্টা করেছেন তিনি। সুযোগ পেয়েই প্রথমার্ধে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। পানোস বলেন, ‘সমির আজ ঠিক সেটাই করেছে, যা আমরা ওর কাছে চাই। ওকে ৮ নম্বর পজিশনে থাকতে বলেছিলাম। জায়গা পেলেই বক্সে ঢুকতে হবে। আজ ও সেটাই করেছে এবং সুযোগ পেয়ে গোল করেছে।’
সাতটি সেলাই পড়ল রক্তাক্ত দ্রাজ়িচের
অন্য প্রান্তে লড়াইয়ের আর এক ছবি দেজান দ্রাজ়িচ। দ্বিতীয়ার্ধে ইস্টবেঙ্গলের ফুটবলারদের সঙ্গে সংঘর্ষে মাথায় গুরুতর চোট পান তিনি। মাথা থেকে রক্ত ঝরলেও মাঠ ছাড়েননি। সাতটি সেলাই পড়েছে তাঁর। মাথার সাদা ব্যান্ডেজ কিছুক্ষণের মধ্যেই রক্তে লাল হয়ে যায়, তবু খেলার তীব্রতা কমেনি। দ্রাজ়িচকে নিয়ে রসিকতা করে পানোস বলেন, ‘মাথা ফাটার পর দ্রাজ়িচ আরও ভালো খেলেছে। ওর দম যেন আরও বেড়ে গিয়েছিল।’