শিল্ডের ফাইনালে ফের ডার্বি? পাঞ্জাবকে টাইব্রেকারে হারিয়ে সেই মঞ্চ তৈরি করলেন বাগানের বিশাল
৩৭ মিনিটে বিশুর শট বিপজ্জনক হয়ে উঠেছিল। আলবার্তো রদ্রিগেজ়ের গায়ে লেগে বলের দিক বদলে যাওয়ায় সমস্যা তৈরি হয়। তবে সঠিক সময়ে বলের সামনে চলে এসে বিপদ সামলান বিশাল। বিরতির আগে লালিয়ানজুয়ালা ছাংতের ভলিও লক্ষ্যে ছিল, কিন্তু অর্শদীপের হাতেই জমা পড়ে। দ্বিতীয়ার্ধে লিস্টন কোলাসোর পরিবর্তে মিগুয়েল ফিগুয়েরাকে নামান মোহনবাগান পানোস। পাঞ্জাবও গোলরক্ষক বদলে মহিত শাবিরকে মাঠে আনে। কিন্তু ম্যাচের ছবিতে বিশেষ পরিবর্তন হয়নি।
শুভাশিসের গোল বাতিল, ম্যাচ গড়াল টাইব্রেকারে
শেষ দিকে মনে হচ্ছিল, কোনও না কোনও ভাবে ম্যাচের দরজা খুলবেই। ৮৫ মিনিটে সেই সুযোগ এসেছিল মোহনবাগানের সামনে। মিগুয়েলের ফ্রি কিক থেকে হেড করে বল জালে পাঠান অধিনায়ক শুভাশিস বসু। কিন্তু গোলের আগেই অফসাইডে ছিলেন তিনি। লাইন্সম্যানের পতাকায় বাতিল হয়ে যায় গোল। এর পরও অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে কোনও দল গোল করতে পারেনি। সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায় ও সুহেল ভাটকেও মাঠে নামান পানোস। তবু পাঞ্জাবের রক্ষণ ভাঙা যায়নি। শেষ পর্যন্ত ১২০ মিনিটের লড়াইয়ের পর সিদ্ধান্ত নিতে হয় পেনাল্টি শুটআউটে।
টাইব্রেকারে দুই হাতে মোহনবাগানের স্বপ্ন বাঁচালেন বিশাল
পাঞ্জাবের হয়ে প্রথম পেনাল্টিতে গোল করেন মেসি বাউলি। মোহনবাগানের হয়ে জবাব দেন রাহুল ভেকে। অর্শবীর সিং দ্বিতীয় শটে গোল করার পর শুভাশিস বসু সমতা ফেরান। তার পরই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন বিশাল। পাঞ্জাবের তৃতীয় শট নিতে আসা সাইজ়ার পেনাল্টি আটকে দেন তিনি। পরের শটেও একই ছবি— বিশাল যাদবের প্রচেষ্টা রুখে দেন মোহনবাগানের গোলরক্ষক।