Amardeep Kumar: দেশের হয়ে ৪ সোনা জিতেও মেলেনি চাকরি, অভাবের তাড়নায় সবজি বেচছেন রাঁচির অমরদীপ কুমার! | 4 Gold Medals for India, Yet Selling Vegetables As Jharkhand Athlete Amardeep Kumar’s Story Goes Viral - 24 Ghanta Bangla News
Home

Amardeep Kumar: দেশের হয়ে ৪ সোনা জিতেও মেলেনি চাকরি, অভাবের তাড়নায় সবজি বেচছেন রাঁচির অমরদীপ কুমার! | 4 Gold Medals for India, Yet Selling Vegetables As Jharkhand Athlete Amardeep Kumar’s Story Goes Viral

Spread the love

রাঁচি: দেওয়ালে ঝুলছে একগাদা সোনার মেডেল। কিন্তু মেডেলের মালিক যিনি, তিনি জীবিকার তাগিদে রাস্তার ধারে বসে সবজি বিক্রি করছেন। এমন হৃদয়বিদারক দৃশ্য, শেষ কবে দেখেছে ভারতীয় ক্রীড়াক্ষেত্র? কিন্তু এটাই সত্যি। শুধু সবজি বিক্রি নয়, তাঁকে চালাতে হচ্ছে ক্যাবও। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হওয়ার পর সামনে এসেছে এমন এক খবর, যা আনন্দ দেয় না, শুধুই কষ্ট দেয়।

ঝাড়খণ্ডের থ্রোবল খেলোয়াড় অমরদীপ কুমার। রাঁচির আরগোড়া চকে রাস্তার ধারে সবজি বিক্রি করতে দেখা যায় ২৯ বছরের অমরদীপকে। ভাইরাল ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছে, রাস্তার ধরে বসে সবজি বিক্রি করছেন ২৯ বছরের অমরদীপ। তবে দোকানের একটি জিনিস নজর কেড়েছে সবার। ছোট্ট দোকানের দেওয়ালে ঝুলছে তাঁর জেতা সোনার পদকগুলো। অমরদীপ ভারতের হয়ে আন্তর্জাতিক থ্রোবল প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে ৪টি সোনার পদক জিতেছেন। কিন্তু এত সাফল্যের পরেও কোনও সরকারি চাকরি বা রাজ্য সরকারের কাছ থেকে কোনও সাহায্য পাননি তিনি। তাই সংসারের খরচ যোগাতে কখনও সবজি বিক্রি, কখনও ক্যাব চালান অমরদীপ।

ভিডিওটি ভাইরাল হতেই পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন নেটিজেনদের একাংশ। কেউ কেউ যেমন বলছেন ‘হৃদয়বিদারক ঘটনা’, কেউ কেউ আবার সরকারের কাছে আবেদন করছেন। একজন যেমন বলেছেন, “এই কারণেই আমরা অলিম্পিকে যথেষ্ট পদক পাই না।”

কে এই অমরদীপ?

ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা অমরদীপ ২০১৫ সালে আন্তর্জাতিক মঞ্চে প্রথম বড় সাফল্য পান। মালয়েশিয়াতে আয়োজিত এশিয়ান জুনিয়র থ্রোবল চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা পেয়েছিলেন তিনি। তারপর ২০১৭ সালে কাঠমাণ্ডুতে আয়োজিত ইন্দো-নেপাল থ্রোবল চ্যাম্পিয়নশিপে ফের সোনা জেতেন। ২০১৯ সালে বেঙ্গালুরুতে সাউথ এশিয়ান থ্রোবল চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতীয় দলের হয়ে সোনা জেতেন তিনি। ২০২৬ সালে রাঁচিতে আয়োজিত সাউথ এশিয়ান থ্রোবল চ্যাম্পিয়নশিপে ৪র্থ স্বর্ণপ্রাপ্তি হয় তাঁর।

অমরদীপ নিজে বলছেন, ২০১৬ সালে তিনি ঝাড়খণ্ড সরকারের কাছে আর্থিক পুরস্কার ও সরকারি চাকরির জন্য আবেদন করেছিলেন। কিন্তু প্রায় ১০ বছর পরেও তাঁর এই আবেদন কার্যকর হয়নি। অন্যদিকে, তাঁরই বেশ কিছু সতীর্থ এখন সরকারি চাকরি করেন, ফলে তিনি কেন জীবিকার জন্য লড়ছেন, তা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে। অন্যদিকে সোশ্যাল মিডিয়াতে অমরদীপের দুর্দশার কথা ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি নজরে এসেছে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের। তিনি এক্স-এ বিষয়টি পোস্ট করে ক্রীড়া দফতরকে অবিলম্বে ঘটনাটি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন। ফলে দীর্ঘদিন ধরে সরকারি সাহায্যের অপেক্ষায় থাকা অমরদীপ এবার প্রশাসনের তরফ থেকে কোনও সাহায্য পান কী না, সেদিকে নজর থাকবে সবার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *