এয়ার ইন্ডিয়া টার্বুলেন্স কাণ্ডে বিশাল মোড়! পাইলটের ডোপ টেস্ট পসিটিভ - 24 Ghanta Bangla News
Home

এয়ার ইন্ডিয়া টার্বুলেন্স কাণ্ডে বিশাল মোড়! পাইলটের ডোপ টেস্ট পসিটিভ

Spread the love

নয়াদিল্লি: গত ৪ আগস্ট ফুকেট থেকে দিল্লি আসছিল এয়ার ইন্ডিয়ার AI2379 বিমান। (Air India)ওড়িশার আকাশে বিমানটি একটি এয়ার পকেটে পড়ে ৩০০ ফুট নিচে নেমে যায়।…

নয়াদিল্লি: গত ৪ আগস্ট ফুকেট থেকে দিল্লি আসছিল এয়ার ইন্ডিয়ার AI2379 বিমান। (Air India)ওড়িশার আকাশে বিমানটি একটি এয়ার পকেটে পড়ে ৩০০ ফুট নিচে নেমে যায়। এই ঘটনায় আহত হন ১৭ যাত্রী, শুরু হয় তদন্ত। এবার সেই তদন্তেই নয়া মোড়। তদন্তে জানা গিয়েছে ওই বিমানের পাইলটের ডোপ টেস্টের রিপোর্ট পসিটিভ। অর্থাৎ তিনি নেশাগ্রস্থ ছিলেন।

তার রক্তে সাইকোঅ্যাকটিভ পদার্থের উপস্থিতি পাওয়া গেছে বলে জানানো হয়েছে। এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বিমান সংশ্লিষ্ট মহলে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। (Air India)এয়ার ইন্ডিয়া অবশ্য বিষয়টি নিয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেনি। তারা শুধু প্রোটোকল অনুযায়ী স্ক্রিনিং হওয়ার কথা নিশ্চিত করেছে।এয়ার ইন্ডিয়ার বক্তব্য অনুযায়ী, ফ্লাইটের পর স্ক্রিনিং করা হয়েছে। এটি নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ।

আরও দেখুনঃ ‘ফেক স্পোর্টস কোটায় কলেজে ভর্তি হয়েছিলেন রাহুল গান্ধী!’ শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে জ্ঞান দেওয়া রাহুলকে কটাক্ষ তথাগতের

তবে টেস্টের ফলাফল তাদের কাছে পাঠানো হয়নি। ফলে তারা কোনো নির্দিষ্ট ‘ফাইন্ডিংস’ নিয়ে মন্তব্য করতে পারছেন না। সংস্থাটি জানিয়েছে, ক্রুদের নিয়মিত ড্রাগ টেস্টিং করা হয়। এই নিয়মিত পরীক্ষার অংশ হিসেবেই এআই-২৩৭৯-এর পাইলটের টেস্ট হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।টার্বুলেন্সের ঘটনার পর থেকেই ফ্লাইটটি নিয়ে আলোচনা চলছিল।

এখন পাইলটের ডোপ টেস্টের খবর এসে তদন্তে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। সূত্রের দাবি অনুযায়ী, টেস্টে সাইকোঅ্যাকটিভ পদার্থ পাওয়া গেছে। এই পদার্থ পাইলটের শরীরে থাকার বিষয়টি তদন্তকারীদের নজরে এসেছে। এয়ার ইন্ডিয়া অবশ্য এই দাবি নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। তারা শুধু স্ক্রিনিং প্রক্রিয়ার কথা বলেছে।

গত ৪ অগস্ট ২০২৬ তারিখে এয়ার ইন্ডিয়ার AI2379 বিমানটি (Air India)১৩৭ জন যাত্রী এবং ৮ জন ক্রু মেম্বার নিয়ে ফুকেত থেকে দিল্লি আসছিল। অবতরণের প্রায় এক ঘণ্টা আগে ওড়িশার কাছাকাছি মাঝআকাশে বিমানটি তীব্র টার্বুলেন্সের মুখে পড়ে। এয়ার ইন্ডিয়ার বক্তব্য অনুযায়ী, তীব্র ঝাঁকুনির কারণে বিমানটি মুহূর্তের মধ্যে প্রায় ৩০০ ফুট নিচে নেমে যায়।

আরও দেখুনঃ কলকাতা-শিলিগুড়ি রিং রোড প্রকল্পে সবুজ সংকেত! এবার বদলে যাবে দুই শহরের মানচিত্র

ঝাঁকুনিটি প্রায় ৪ থেকে ৫ মিনিট স্থায়ী ছিল। হঠাত ঝাঁকুনিতে সিটবেল্ট না বাঁধা থাকা বেশ কয়েকজন যাত্রী ও কেবিন ক্রু ছিটকে যান এবং বিমানের ছাদে ও করিডোরে আঘাত পান। দুর্ঘটনায় ১৭ জন আহত হন (১৩ জন যাত্রী এবং ৪ জন ক্রু।

কয়েকজন ক্রু মেম্বার মেরুদণ্ড ও ঘাড়ে গুরুতর চোট পেয়েছিলেন। এই তদন্তের রিপোর্টে স্বভাবতই আতঙ্কিত নিয়মিত যাত্রীরা। তাদের মতে এইভাবে বিমানের পাইলট যদি নেশাগ্রস্থ থাকেন তবে কি ভরসায় তারা যাত্রা করবেন। এবং বিমানের উড়ানের আগে ক্রু এবং পাইলটদের শারীরিক পরীক্ষা আরও কড়া হোক বলেও মনে করেছেন তারা।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *