পিক সিজ়নের আগেই ডেঙ্গি-সতর্কতা পুরসভার, মশার আঁতুড়ঘর ধ্বংসে ‘ডিজিটাল’ নজরদারি
পুরসভা সূত্রে খবর, ‘স্বচ্ছতা সে স্বাগত’ নামক একটি বিশেষ ভেক্টর নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। যেখানে প্রতিদিন টার্গেট ঠিক করে দেওয়া হচ্ছে। প্রথম দিনে মূল লক্ষ্য ছিল কলকাতা পুরসভার নিজস্ব অফিস ও সংলগ্ন এলাকাগুলি। সোমবার, প্রথম দিনে ১৬টি বরোতেই ১০০ শতাংশ কাজ নিশ্চিত করা গিয়েছে। নির্ধারিত ২১৬টি জায়গার পরিবর্তে ২৩৬টি স্থানে নিবিড় তল্লাশি চালানো হয়, যা লক্ষ্যমাত্রার ১০৯ শতাংশ। প্রথম দিনে মূলত সচেতনতা বৃদ্ধি, হটস্পট পরিদর্শন, লার্ভানাশক স্প্রে এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের কাজ হয়েছে। অভিযানের দ্বিতীয় দিন অর্থাৎ মঙ্গলবার প্রধান লক্ষ্য ছিল শহরের সমস্ত থানা এবং ট্র্যাফিক গার্ড চত্বর। এই দিনটির জন্য ৮৫টি থানা ও ট্র্যাফিক গার্ডের চত্বরকে টার্গেট করা হয়েছিল। বরো ২, বরো ৫, বরো ৬ –সহ বিভিন্ন এলাকায় পুরকর্মীরা দিনভর অভিযান চালান। বিশেষ করে বিভিন্ন বহুতলের ছাদ, যত্রতত্র পড়ে থাকা ভাঙাচোরা গাড়ি এবং স্পর্শকাতর ওয়ার্ডগুলিতে বিশেষ অভিযান চালানো হয়। ছাদের জলের ট্যাঙ্ক পরীক্ষার পাশাপাশি যেখানেই জমা জল বা আবর্জনা পাওয়া গিয়েছে, সেখানেই লার্ভানাশক ছড়ানো হয়েছে। এ ভাবেই প্রতিদিন কাজ চলছে।