খুনের চেষ্টা, শ্লীলতাহানির অভিযোগ, ৫ বছর আগের কেসে ধৃত প্রাক্তন কাউন্সিলারের স্বামী
পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার সূত্রপাত ২০২০–এর ১ জুলাই। পর্ণশ্রীর রবীন্দ্রনগরের এক বাসিন্দা অভিযোগ করেন, অঞ্জন এবং তাঁর অনুগামীরা বাড়িতে চড়াও হয়ে মারধর করে। বিজেপির সমর্থক হওয়ায় রাজনৈতিক আক্রোশ থেকেই এই হামলা বলে দাবি আক্রান্ত পরিবারের সদস্যদের। ওই বছরের ৭ অগস্ট পর্ণশ্রী থানায় অঞ্জন দাস, বিপ্লব ঘটক, ভোলা সরকার–সহ মোট ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে তদন্তে নামে পুলিশ। তবে ওই সময়ে পর্যাপ্ত তথ্যপ্রমাণের অভাবে ২০২১–এর জুনে আলিপুর আদালতে পুলিশ ‘ফাইনাল রিপোর্ট’ জমা দিয়ে কেসটি বন্ধ করে দেয় বলে অভিযোগ। দীর্ঘদিন ফাইলবন্দি থাকার পরে চলতি বছরের ৩১ মে আচমকাই মামলায় নতুন মোড় ঘোরে। আক্রান্ত পরিবার পুলিশের কাছে নতুন করে সুবিচারের আর্জি জানিয়ে চিঠি দেয়। এর পরেই পর্ণশ্রী থানার পুলিশের তরফে আলিপুর আদালতের কাছে মামলাটি নতুন করে তদন্ত করার অনুমতি চাওয়া হয়। আদালতের নির্দেশের পরে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় এক সাব-ইনস্পেক্টরকে। পুলিশ নোটিস পাঠিয়ে ২০২০–এর সেই মারধরের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সমস্ত মেডিক্যাল রিপোর্ট ও চিকিৎসার কাগজপত্র বাজেয়াপ্ত করে। চিকিৎসকদের রিপোর্ট খতিয়ে দেখে পুলিশ নিশ্চিত হয় যে, ওই দিন অভিযোগকারীর উপরে মারাত্মক শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়েছিল। গত ৮ জুলাই আলিপুর আদালতের বিচারকের সামনে আক্রান্তদের গোপন জবানবন্দিও রেকর্ড করা হয়।