Abhishek Banerjee: ‘আমার হাতে প্রমাণ রয়েছে, চাইলে মামলা করুন’, পার্লামেন্টের সামনে থেকে কোন বিষয়ে হুঙ্কার অভিষেকের? | Abhishek Banerjee Seeks Disqualification of 20 Rebel MPs, Alleges Money and Agency Pressure Behind Defections
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, সাংসদImage Credit: TV9 Bangla
নয়া দিল্লি: ভেঙে চুরমার তৃণমূলের সংসদীয় দল। স্পিকারকে চিঠি পাঠিয়েছিলেন তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। স্পিকার সময় দেন। অভিষেকের বক্তব্য, সংবিধানের তোয়াক্কা না করে অন্য দলে যুক্ত হয়েছেন ২০ জন সাংসদ। তাঁর চ্যালেঞ্জ, ক্ষমতা থাকলে সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে ভোটে দাঁড়ান। স্পিকারের কাছে কাকলিদের সাংসদ পদ খারিজের দাবি জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি অভিষেকের বিস্ফোরক দাবি, টাকায় বিক্রি হয়েছেন সাংসদরা। কেউ কেন্দ্রীয় এজেন্সির ভয়ে, কেউ বা টাকার লোভে এই পদক্ষেপ করেছেন।
দিল্লিতে সংসদ ভবনের বাইরে দাঁড়িয়ে অভিষেক বলেন, “এই ২০ জন যেভাবে বেইমানি করে, সংবিধানকে অস্বীকার করে, অমান্য করে, জনমতের সঙ্গে খেলে নিজের আত্মসম্মান বিসর্জন দিয়েছেন, বাংলার মানুষ ক্ষমা করবেন না। ওঁদের মধ্যে অনেকেই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পেয়েছেন। আমি বলছি, কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা নিয়ে নিজের লোকসভা কেন্দ্রে যান। কোনও মানুষ পাবেন না, যাঁরা ওনাদের পাশে দাঁড়াবেন।”
আর এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়েই অভিষেক দাবি করেছেন, কোনও না কোনও পরিস্থিতির শিকার হয়েই ২০ জন NCPI যোগ দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, “কারোর ইডির হাত থেকে বাঁচার প্রয়োজন, কারোর সিবিআই-এর হাত থেকে বাঁচার প্রয়োজন, কেউ পয়সা পাচ্ছেন, কাউকে শাসানো হচ্ছে।” চ্যালেঞ্জের সুরে তিনি বলেন, “আমি যখন এরকম কথা বলছি, আমার হাতে অকাঠ্য প্রমাণ আছে। নয়তো কোনও সাংসদের যদি আমার কথা আপত্তি থাকে, তাহলে আমার বিরুদ্ধে কেস ফাইল করতে পারেন, আমি আদালতে প্রমাণ দিয়ে দেব।”
অভিষেকের দাবি, ২০ জন সাংসদকে ডিসকোয়ালিফাই করতে হবে। তাঁর স্পষ্ট যুক্তি, সংবিধানের দশম তফসিলে বলা রয়েছে, সংসদীয় দলের দুই তৃতীয়াংশ সাংসদ যদি চলে যান, তাহলে কখনই তা বৈধ বলে গ্রহণযোগ্য হবে না। এক্ষেত্রে পার্লামেন্টের একাধিক রুলসের কথা বলেন তিনি। তাঁর যুক্তি রাজনৈতিক দলের দুই তৃতীয়াংশ এক্ষেত্রে যেতে হবে।
যদিও অভিষেকের দাবি ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন NCPI তে যোগ দেওয়া সাংসদ খলিলুর রহমান। তাঁর বক্তব্য, “আমি এসেছি, সেটা টাকার বিনিময়ে! এসব ফালতু কথা।”