Sandeshkhali: কেন সন্দেশখালির বাসিন্দা বলে তৃণমূলের মিছিলে যোগ? বিক্ষোভে তপ্ত রাজবাড়ি – Bengali News | Why join in Trinamool procession named as a resident of Sandeshkhali, Rajbari heated in protest
সন্দেশখালি: সন্দেশখালির ঘটনার জেরে তপ্ত রাজবাড়ি। বৃহস্পতিবার কলকাতায় মুখ্যমন্ত্রীর সভামঞ্চে হাজির হয়ে তৃণমূলের প্রাক্তন অঞ্চল সভাপতি পঙ্কজ জানার স্ত্রী নীলিমা জানা জানিয়েছিলেন, সন্দেশখালি এখন ভাল আছে। সেই মন্তব্যের বিরোধিতা করে শুক্রবার বিকালে নীলিমার বাড়ি ঘেরাও করেন গ্রামবাসীরা। তৃণমূলের দাবি, ঘটনার পিছনে বিজেপির ইন্ধন রয়েছে। সেই বক্তব্য উড়িয়ে বিক্ষোভকারী মহিলাদের দাবি, সন্দেশখালির ঘটনা দু’নম্বর ব্লকের অন্তর্গত। নীলিমা এক নম্বর ব্লকের বাসিন্দা হয়ে কেন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে ভাল থাকার বার্তা দিলেন!
গত বিধানসভা ভোটের পর থেকে শাহজাহান বাহিনীর দাপটে এলাকায় সন্ত্রাসের ছায়ায় রয়েছেন বলে অভিযোগ মহিলাদের। ঘরবাড়ি ভাঙচুর, জমি, দোকান লুঠের রাজনীতিতে তাঁরা কোণঠাসা বলে অভিযোগ। সন্দেশখালির আন্দোলনের পরও তাঁদের সমস্যার সমাধান হয়নি। আর সে কারণেই এদিনের বিক্ষোভ বলে দাবি মহিলাদের। পরিস্থিতি এতখানি তপ্ত হয় যে সন্ধ্যায় এলাকায় রুট মার্চ করে কেন্দ্রীয় বাহিনী।
প্রসঙ্গত, নারী দিবসের প্রাক্কালে শুক্রবারই কলকাতার রাজপথে বিশাল মিছিল করতে দেখা যায় তৃণমূলকে। তৃণমূল সুপ্রিম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সামনের সারিতে দেখা যায় তৃণমূলের মহিলা বিধায়ক, মন্ত্রীদের। ছিলেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড তথা সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। সন্দেশখালির বেশ কিছু মহিলাও তৃণমূলের এই মিছিলে পা মেলান বলে জানা যায়। কথা বলেন অভিষেকের সঙ্গে। তারইমধ্যে পঙ্কজ জানার স্ত্রী নীলিমা জানার মন্তব্যে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়।
এই খবরটিও পড়ুন
সূত্রের খবর, রাজবাড়ির বাসিন্দা বেশ কয়েকজন মহিলা নিজেদের সন্দেশখালির বাসিন্দা দাবি করে তৃণমূলের মিছিলে যোগদান করেন। সন্দেশখালিতে কোনও ঘটনা ঘটেনি বলেও দাবি করেন তাঁরা। রাজবাড়ি সন্দেশখালির মূল ঘটনাস্থল থেকে অনেক দূরে হওয়া সত্ত্বেও কী করে এমন দাবি করেন মহিলারা? সেই প্রশ্ন উঠছে। তারই প্রতিবাদে এদিন তৃণমূলের মিছিলে যাওয়া মহিলাদের বাড়ি ঘেরাও করেন গ্রামবাসীরা।
এরইমধ্যে আবার ১০ মার্চ রবিবার সন্দেশখালি চলোর ডাক দিয়েছে পদ্ম শিবির। বিজেপির বসিরহাট সাংগঠনিক জেলার পক্ষ থেকে এই কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছে। ওই দিনই আবার ব্রিগেডে জনগর্জন সভা রয়েছে তৃণমূলের। যা নিয়েও চড়ছে রাজনীতির পারদ।