8th Pay Commission: আড়াই লাখ থেকে সোজা ১০ লাখ বেসিক পে! ৪০০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির দাবি অষ্টম পে কমিশনে, পূরণ হবে সেই দাবি? | 8th Pay Commission: Basic Pay May Jump From 2.5 Lakh to 10 Lakh Rs? Demand for 400 Percent Salary Hike Sparks Massive Buzz Among Govt Employees
নয়া দিল্লি: রুটিন বেতন বৃদ্ধি নয়, অষ্টম পে কমিশন হলে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের ভবিষ্যতটাই বদলে যাবে! অষ্টম পে কমিশন (8th Pay Commission) নিয়ে জল্পনা অনেক। কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা ইতিমধ্যেই তাদের দাবি-দাওয়া জানিয়েছেন। তবে প্রশ্ন হল সরকারের পক্ষে কতটা সেই দাবি পূরণ করা সম্ভব?
জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের সম্প্রতি জমা দেওয়া প্রস্তাবনা ঘিরেই যাবতীয় চর্চা-বিতর্ক শুরু হয়েছে। তারা যে প্রস্তাব দিয়েছেন, তাতে সিনিয়র কর্মী বা আধিকারিকদের বেতন ৪০০ শতাংশেরও বেশি বাড়তে পারে।
ভারতীয় রেলওয়ে টেকনিক্যাল সুপারভাইসর অ্যাসোসিয়েশন (IRTSA) অষ্টম পে কমিশনের বৈঠকে এই প্রস্তাবনা দিয়েছে। তাদের প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, সকলের জন্য এক ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর তৈরি না করে, বিভিন্ন পে স্কেলে আলাদা আলাদা ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর তৈরি করার প্রস্তাব দিয়েছে।
এই প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে-
- কেন্দ্রীয় সরকারের লেভেল ১ থেকে লেভেল ৫ কর্মীদের ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর ২.৯২ করা হবে।
- লেভেল ৬ থেকে লেভেল ৮ কর্মীদের ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর হবে ৩.৫০।
- লেভেল ৯ থেকে লেভেল ১২ কর্মীদের ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর হবে ৩.৮০।
- লেভেল ১৩ থেকে ১৬ কর্মীদের ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর হবে ৪.০৯।
- লেভেল ১৭ থেকে ১৮ কর্মীদের ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর হবে ৪.৩৮।
যদি এই প্রস্তাব গৃহীত হয়, তাহলে লেভেল ১৭-১৮-র কর্মীদের বেতন বিপুল বাড়বে। এই স্তরের কর্মীদের বেসিক বেতন হয় ২.৫ লাখ টাকা। তা প্রস্তাবিত ৪.৩৮ ফিটমেন্ট ফ্যাক্টরে বেড়ে ১০.৯৫ লাখ টাকা হবে।
মাঝারি স্তরের কর্মীদের, লেভেল-৬ থেকে ৮ কর্মীদের, যাদের বেসিক বেতন ৪৫ হাজার টাকা ছিল, তাদেরও বেতন বেড়ে ১.৫৭ লক্ষ টাকা হবে।
প্রস্তাবনায় রেলের টেকনিক্যাল স্টাফদের জন্য আলাদা বেতন কাঠামো, দ্রুত পদোন্নতি, বার্ষিক ৫ শতাংশ বেতন বৃদ্ধি এবং বেসিক পে-র ভিতরে ৫০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা যোগ করার দাবি করা হয়েছে।
তবে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের এই বিপুল বেতন বৃদ্ধির দাবি কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পূরণ করা কতটা সম্ভব হবে, তা নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে। শোনা যাচ্ছে, কর্মীদের কিছু দাবি পূরণ করা হতে পারে। তবে ফিটমেন্ট ফ্যাক্টরের ক্ষেত্রে মধ্যপন্থা নিতে পারে সরকার।