গঙ্গায় মাছের প্রজাতি ১১০ থেকে বেড়ে ২৩০, সাফল্য নমামি গঙ্গের
ব্যারাকপুরের ওই কেন্দ্রীয় সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৮২২–এ গঙ্গায় প্রথম বৃহৎ সমীক্ষায় ২৭১টি প্রজাতির মাছের হদিশ মিলেছিল। কিন্তু অনিয়ন্ত্রিত শিল্পায়ন, নিকাশি নালা থেকে নিয়মিত দূষণ আর অতিরিক্ত মাছ ধরার দাপটে ১৯৯০–এর দশকের শেষে সেই সংখ্যা তলানিতে এসে ঠেকে। তবে বিগত এক দশকে ‘নমামি গঙ্গে’ প্রকল্পের অধীনে ধারাবাহিক সংরক্ষণ ও ‘স্টক এনহ্যান্সমেন্ট’ কর্মসূচির ফলে পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করেছে। ফরাক্কায় ৮৫, বহরমপুরে ৭৬ এবং ফ্রেজ়ারগঞ্জে ৭০টি প্রজাতির দেশি মাছের অস্তিত্ব ধরা পড়েছে সমীক্ষায়। গবেষকদের মতে, উত্তরপ্রদেশের বিজনৌর থেকে শুরু করে পশ্চিমবঙ্গের মোহনা পর্যন্ত প্রায় আড়াই হাজার কিলোমিটার পথে মাছের প্রজনন ও ‘রাঞ্চিং’ কার্যক্রম চালানো হয়েছে। বিশেষ করে রুই, কাতলা ও মৃগেলের মতো ভারতীয় কার্প জাতীয় মাছের পোনা ও ডিম ছাড়ার ফলেই এই সমৃদ্ধি। এমনকী ফরাক্কার উজানেও এখন ইলিশের দেখা মিলছে, যা এক সময়ে কার্যত অসম্ভব ছিল।