EVM Strong Room Security Explained: EVM কি আদৌ কারচুপি করা সম্ভব? সত্যিটা জানালেন অবসরপ্রাপ্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক – Bengali News | Can EVMs Be Opened Inside Strong Rooms? Former CEO Debashis Sen Explains in TV9 Bangla Exclusive
দেবাশিস সেন, অবসরপ্রাপ্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকImage Credit: TV9 Bangla
কলকাতা: ভবানীপুরের স্ট্রংরুমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি, সেখান তাঁর চার ঘণ্টা কাটানো আর তা নিয়ে তপ্ত স্ট্রং রুম রাজনীতি। ইতিমধ্যেই দক্ষিণের জেলা নির্বাচনী আধিকারিক DEO নির্বাচন কমিশনের কাছে এই নিয়ে রিপোর্ট তলব করেছে। কমিশনের একটি সূত্রের খবর, কোনও প্রার্থীর স্ট্রং রুমে যাওয়ার পিছনে কোনও অন্যায় নেই। তবে সেসময়ে মমতা কেন স্ট্রং রুমে গিয়েছিলেন, তা জানতে চাইছে কমিশন। তবে এই পর্বে আরও একটি নতুন তত্ত্ব খাঁড়া হয়েছে। তা হল EVM কারচুপি।
ইভিএম কারচুপি রুখতে এবং গণনার দিনের রণকৌশল নির্ধারণ করতে বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু আদৌ কি স্ট্রং রুমে ঢুকে EVM মেশিন খোলা সম্ভব?
TV9 বাংলার এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে গোটা বিষয়টা বিস্তারিত জানালেন অবসরপ্রাপ্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক দেবাশিস সেন। দেবাশিস সেনের বক্তব্য, “যদি সুরক্ষা থাকে, EVM ব্যালট বাক্সের থেকেও সুরক্ষিত।” তার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি জানান, ব্যালট বাক্সের যুগে যা সুরক্ষা ছিল, তা যদি মেনে চলা হয়, তাহলে EVM-এর কোনও কিছু হতে পারে না। ‘টেম্পর’ করবে কী করে? EVM মেশিনে সিল লাগানো থাকে, কোনও সফটওয়্যার থাকে না। কোড থাকে মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজের কোড, সেটা মাইক্রো চিপে বার্ন করা থাকে অর্থাৎ পুড়িয়ে ঢোকানো হয়।
দেবাশিস সেনের কথায়, ” চিপটাকেই যদি পাল্টে ফেলা হয়, সেটা অন্য ব্যাপার। ব্যালট পেপারের সময়েও ব্যালট বাক্স নিয়ে পুকুরের জলে ফেলে দিত।” আবার এক্ষেত্রে সাইবার অ্যাটাকও করা যায় না। কারণ EVM ইন্টারনেটে কানেক্টেড নয়। কোডও পরিবর্তন করা যায় না। ক্যালকুলেটরের মতো। ব্যাটারিও যদি খুলে নেওয়া হয়, মেমরি থেকেই যাবে।