Bhangarh: বাজি ফাটানোকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র ভাঙড়, তুমুল সংঘর্ষ ISF-TMC কর্মীদের মধ্যে – Bengali News | Tension in Bhangarh over bursting of firecrackers on the night of Kali Puja, fierce clash between ISF TMC workers
তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ Image Credit: TV 9 Bangla
ভাঙড়: ভোটের আগে এখনও বেশ কিছুটা সময় বাকি। তার আগে দফায় দফায় তপ্ত হচ্ছে ভাঙড়। ফের আইএসএফ ও তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ! ঘটনায় গ্রেফতার দুই পক্ষের ২ জন। অন্যদিকে পুলিশও এই সংঘর্ষের ঘটনায় ২ ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে। ব্যাপক উত্তেজনা ভাঙড়ের ভোগালি দুই গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার ভুমরু গ্রামে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, সোমবার রাতে বাজি পোড়ানোকে কেন্দ্র করে ঝামেলার সূত্রপাত। বচসা কিছু সময়ের মধ্যেই রূপ নেয় হাতাহাতির। মুহূর্তেই তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকায়। লেগে যায় রাজনীতির রঙ।
তৃণমূল কর্মী রব্বানি মোল্লা, সাবির মোল্লা, নবাব মোল্লা, সাহিদ মোল্লারা বাজি ফাটাচ্ছিল বলে খবর। যদিও আইএসএফ কর্মীদের অভিযোগ বোমা ছোড়া হয়েছে। তা নিয়েই দু’পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়ে যায়। দুই গোষ্ঠী একে অপরের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগে সুর চড়াতে শুরু করে। তৃণমূলের অভিযোগ তাঁদের কর্মীদের লোহার রড দিয়ে মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে আইএসএফের লোকজন। যদিও সেই অভিযোগ মানতে নারাজ আইএসএফ তাঁদের পাল্টা অভিযোগ, তাঁদের কর্মীদের বেধড়ক মারধর করেছে ঘাসফুল শিবিরের লোকজন। যদিও ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক সওকত মোল্লা বলছেন, “পুরোটাই আগে থেকে পরিকল্পিত। আইএসএফ আশ্রিত সমাজবিরোধীরাই আমাদের কর্মীদের উপর আক্রমণ করেছে।”
এদিকে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতেই খবর চলে যায় পুলিশের কাছে। খবর পাওয়া মাত্রই রাতেই ভুমরু গ্রামে চলে যায় উত্তর কাশীপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। দুই শিবিরই পুলিশের কাছে নিজেদের ক্ষোভ উগরে দেন। দুইপক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তে নেমে দু’জনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। তাঁদের জোরকদমে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। একইসঙ্গে এলাকার স্থানীয় বাসিন্দাদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। রাত থেকেই গোটা এলাকা থমথমে।