Honda QC3-এর বাজেটে সেরা ৫ বিকল্প, Ather থেকে Pulsar - 24 Ghanta Bangla News
Home

Honda QC3-এর বাজেটে সেরা ৫ বিকল্প, Ather থেকে Pulsar

Spread the love


কলকাতা: Honda QC3-এর দামের কাছাকাছি বাজেটে স্কুটার বা মোটরসাইকেল কেনার কথা ভাবছেন? বাজারে এই দামের পরিসরে একাধিক বিকল্প রয়েছে। কেউ চাইলে ইলেকট্রিক স্কুটার নিতে পারেন, আবার পেট্রলচালিত স্পোর্টি স্কুটার বা মোটরসাইকেলও বেছে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। Ather 450S থেকে Bajaj Pulsar N160 SS, Honda QC3-এর বিকল্প হিসেবে নজরে রাখতে পারেন এই পাঁচটি মডেল।

১. Ather 450S: দাম ১,৩৫,৯৯৯ টাকা

ইলেকট্রিক স্কুটার পছন্দ হলে Ather 450S একটি বিকল্প হতে পারে। এতে রয়েছে ২.৯ kWh লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি, যা একবার সম্পূর্ণ চার্জে ১২২ কিলোমিটার IDC রেঞ্জ দিতে পারে বলে দাবি সংস্থার। ইলেকট্রিক মোটরটি সর্বোচ্চ ৫.৪ kW শক্তি এবং ২২ Nm টর্ক উৎপন্ন করে। সংস্থার দাবি, মাত্র ৩.৯ সেকেন্ডে ঘণ্টায় ০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিতে পৌঁছতে পারে স্কুটারটি। সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ৯০ কিলোমিটার।

বাড়িতে চার্জ করতে ০ থেকে ৮০ শতাংশ চার্জ হতে প্রায় ৫ ঘণ্টা ৩০ মিনিট এবং সম্পূর্ণ চার্জ হতে ৭ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট সময় লাগে বলে দাবি Ather-এর। Ather Grid পাবলিক চার্জিং নেটওয়ার্কও ব্যবহার করা যাবে।

স্কুটারটিতে রয়েছে চারটি রাইডিং মোড, SmartEco, Eco, Ride এবং Sport। এ ছাড়া কোস্টিং রিজেনারেটিভ ব্রেকিং, Park Assist এবং AutoHold-এর মতো ফিচার রয়েছে। সামনে ও পিছনে ডিস্ক ব্রেক এবং ১২ ইঞ্চির অ্যালয় হুইল দেওয়া হয়েছে।

এতে রয়েছে ৭ ইঞ্চির LCD ডিসপ্লে। তবে Ather 450X-এর মতো TFT টাচস্ক্রিন বা Google Maps নেভিগেশন সুবিধা নেই। Cosmic Black, Hyper Sand, Stealth Blue, True Red এবং Still White, এই পাঁচটি রঙে পাওয়া যায় স্কুটারটি।

২. Hero Xtreme 160R 4V: দাম ১,৩৪,৬৯৫ টাকা

স্কুটারের বদলে মোটরসাইকেল চাইলে Hero Xtreme 160R 4V দেখতে পারেন। এতে রয়েছে ১৬৩.২ সিসির সিঙ্গল-সিলিন্ডার, এয়ার-কুলড ইঞ্জিন। ইঞ্জিনটি ৮,৫০০ rpm-এ সর্বোচ্চ ১৬.৯ PS শক্তি এবং ৬,৫০০ rpm-এ ১৪.৬ Nm টর্ক উৎপন্ন করে। সঙ্গে রয়েছে ৫-স্পিড গিয়ারবক্স।

Rain, Road এবং Sport, এই তিনটি রাইডিং মোড পাওয়া যায় বাইকটিতে। সাসপেনশনের দায়িত্বে রয়েছে ৩৭ মিমি KYB USD ফর্ক এবং সাত ধাপে অ্যাডজাস্ট করা যায় এমন পিছনের মনোশক। ব্রেকিংয়ের জন্য সামনে ২৭৬ মিমি এবং পিছনে ২২০ মিমি পেটাল ডিস্ক রয়েছে। সঙ্গে স্ট্যান্ডার্ড ডুয়াল-চ্যানেল ABS।

বাইকে রয়েছে LCD ইনস্ট্রুমেন্ট কনসোল, যেখানে স্পিড, ট্যাকোমিটার, গিয়ার পজিশন এবং ফুয়েলের তথ্য দেখা যায়। পাশাপাশি রয়েছে Drag Race Timer এবং Cruise Control। বাইকটির জ্বালানি ধারণক্ষমতা ১২ লিটার। কার্ব ওজন ১৪৭.৫ কেজি এবং গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স ১৬৫ মিমি।

৩. TVS NTorq 150 TFT: দাম ১,২২,১০০ টাকা

স্পোর্টি স্কুটারের মধ্যে TVS NTorq 150 TFT-ও নজর কাড়তে পারে। এটি NTorq 150 সিরিজের টপ-স্পেক ভ্যারিয়েন্ট। স্কুটারটিতে রয়েছে ১৪৯.৭ সিসির সিঙ্গল-সিলিন্ডার, এয়ার-কুলড ইঞ্জিন। iGO Assist চালু থাকলে সর্বোচ্চ ১৩.১৮ PS শক্তি এবং ১৪.২ Nm টর্ক পাওয়া যায়। Race মোডে iGO Assist ছাড়া আউটপুট ১২.৬৪ PS এবং ১৩.৪ Nm। Street মোডে তা কমে হয় ১০.৮৭ PS এবং ১২ Nm।

TVS-এর দাবি, Race মোডে ঘণ্টায় ০ থেকে ৬০ কিলোমিটার গতিতে পৌঁছতে সময় লাগে ৬.৩ সেকেন্ড। সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ১০৪ কিলোমিটার।

এতে Street এবং Race, দুটি রাইডিং মোড রয়েছে। Street মোডে স্বাভাবিক পাওয়ার ডেলিভারির পাশাপাশি অটোমেটিক ইঞ্জিন স্টার্ট-স্টপ ফিচার কাজ করে। Race মোডে বেশি পারফরম্যান্সের জন্য iGO Assist অতিরিক্ত টর্ক সরবরাহ করে।

এই ভ্যারিয়েন্টের অন্যতম আকর্ষণ ৫ ইঞ্চির TFT ডিসপ্লে। TVS SmartXonnect-এর মাধ্যমে ৫০টির বেশি কানেক্টেড ফিচার ব্যবহার করা যায়। রয়েছে টার্ন-বাই-টার্ন নেভিগেশন, কল ও SMS অ্যালার্ট, Alexa ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্স, স্মার্টওয়াচ কানেক্টিভিটি, রাইড স্ট্যাটিসটিক্স এবং লাইভ ভেহিকল ট্র্যাকিং। পাশাপাশি ট্র্যাকশন কন্ট্রোল ও সিঙ্গল-চ্যানেল ABS রয়েছে।

৪. TVS Apache RTR 200 4V: দাম ১,৪৮,২৪০ টাকা

আরও বেশি শক্তিশালী মোটরসাইকেল চাইলে TVS Apache RTR 200 4V একটি বিকল্প। এতে রয়েছে ১৯৭.৭৫ সিসির সিঙ্গল-সিলিন্ডার ইঞ্জিন। Sport মোডে এটি ৯,০০০ rpm-এ সর্বোচ্চ ২০.৮২ PS শক্তি এবং ৭,২৫০ rpm-এ ১৭.২৫ Nm টর্ক উৎপন্ন করে। Urban ও Rain মোডে শক্তি কমে হয় ১৭.৩২ PS এবং টর্ক ১৬.৫১ Nm।

বাইকটিতে Sport, Urban এবং Rain, তিনটি রাইডিং মোড রয়েছে। Sport মোডে সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ১২৭ কিলোমিটার বলে দাবি TVS-এর। Urban ও Rain মোডে সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ১০৫ কিলোমিটার। সঙ্গে রয়েছে ৫-স্পিড গিয়ারবক্স এবং স্লিপার ক্লাচ।

সাসপেনশনে রয়েছে ৩৭ মিমি USD ফর্ক এবং পিছনে মনোশক। সামনের সাসপেনশন অ্যাডজাস্ট করার সুবিধাও রয়েছে। ব্রেকিংয়ের জন্য সামনে ২৭০ মিমি এবং পিছনে ২৪০ মিমি পেটাল ডিস্ক দেওয়া হয়েছে। রয়েছে ডুয়াল-চ্যানেল ABS, ট্র্যাকশন কন্ট্রোল এবং Rear Wheel Lift-off Protection Control।

বাইকটিতে ৫ ইঞ্চির সম্পূর্ণ ডিজিটাল TFT ডিসপ্লে রয়েছে। TVS SmartXonnect-এর মাধ্যমে নেভিগেশন, রাইড অ্যানালিটিক্স এবং রেস টেলিমেট্রির সুবিধা পাওয়া যায়। টপ ভ্যারিয়েন্টে Google Maps মিররিংও রয়েছে। সঙ্গে রয়েছে Type-C চার্জিং পোর্ট।

৫. Bajaj Pulsar N160 SS USD Split Seat: দাম ১,৪২,৫৮৫ টাকা

তালিকার শেষ বিকল্প Bajaj Pulsar N160 SS USD Split Seat। Pulsar N160 সিরিজের এই টপ-এন্ড ভ্যারিয়েন্টে রয়েছে ১৬৪.৯ সিসির সিঙ্গল-সিলিন্ডার ইঞ্জিন। এটি ৯,৫০০ rpm-এ সর্বোচ্চ ১৮.৫ PS শক্তি এবং ৮,০০০ rpm-এ ১৪.৪ Nm টর্ক উৎপন্ন করে। সঙ্গে রয়েছে ৫-স্পিড গিয়ারবক্স এবং Assist ও Slipper Clutch।

Bajaj-এর দাবি, N160 S এবং N160 SS ঘণ্টায় ০ থেকে ৬০ কিলোমিটার গতিতে পৌঁছতে পারে ৪.৫ সেকেন্ডে। বাইকটিতে Road, Rain, Sport এবং Off-Road, মোট চারটি রাইডিং মোড রয়েছে। পাশাপাশি রয়েছে ট্র্যাকশন কন্ট্রোল।

সাসপেনশনের জন্য সামনে সোনালি রঙের ৩৭ মিমি USD ফর্ক এবং পিছনে মনোশক দেওয়া হয়েছে। ব্রেকিংয়ের জন্য সামনে ৩০০ মিমি ও পিছনে ২৩০ মিমি ডিস্ক রয়েছে। স্ট্যান্ডার্ড হিসাবে পাওয়া যায় ডুয়াল-চ্যানেল ABS।

এতে রয়েছে ৫ ইঞ্চির TFT ডিসপ্লে, যেখানে Google Maps মিররিংয়ের সুবিধা রয়েছে। Bluetooth কানেক্টিভিটির মাধ্যমে কল অ্যালার্ট, নোটিফিকেশন এবং মিউজিক কন্ট্রোল করা যায়। মোবাইল চার্জ করার জন্য রয়েছে USB Type-C পোর্ট।

কোনটি কিনবেন?

ইলেকট্রিক স্কুটার চাইলে Ather 450S, কানেক্টেড ফিচার-সহ স্পোর্টি স্কুটার পছন্দ হলে TVS NTorq 150 TFT বিবেচনা করা যায়। অন্যদিকে, মোটরসাইকেলের মধ্যে Hero Xtreme 160R 4V এবং Bajaj Pulsar N160 SS দৈনন্দিন ব্যবহারের পাশাপাশি স্পোর্টি রাইডিংয়ের বিকল্প। বেশি ইঞ্জিন ক্ষমতা ও পারফরম্যান্স চাইলে TVS Apache RTR 200 4V-ও তালিকায় রাখা যেতে পারে।

Essential Business Intelligence, Sharp Market Insights, Practical Personal Finance Advice, Daily Fuel, Gold and Silver Prices and Latest Stories – On Kolkata24x7 Business

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *