চর্বি জমছে লিভারে! সারবে তা কী প্রকারে?
অর্থাৎ, ঋতুমতী থাকা পর্যন্ত যে হরমোনের বর্ম মহিলাদের ফ্যাটি লিভার থেকে অনেকটা সুরক্ষা দেয়, মেনোপজ়ের পরে তা আর থাকে না।
ক্লডিয়াদের গবেষণাটি মূলত ইঁদুরের উপরে। উচ্চ ফ্যাটযুক্ত খাবার খাইয়ে ইঁদুরগুলিকে স্থূল করে তোলার পরে দেখা যায়, অধিকাংশ পুরুষ ইঁদুরই ফ্যাটি লিভারের শিকার হয়েছে। পরে তাদের শরীরে ইস্ট্রোজেন ইঞ্জেকশন দিয়ে দেখা যায়, ধীরে ধীরে লিভারে জমা চর্বির পরিমাণ কমছে। গবেষণায় উঠে এসেছে, টিইএডি-১ নামে একটি প্রোটিন লিভারে চর্বি জমতে বাধা দেয়। স্থূলতার ক্ষেত্রে এই প্রোটিনের কার্যকারিতা কমে যায়। ইস্ট্রোজেন আবার সেই প্রোটিনকে সক্রিয় করে তোলে। গবেষকদের আশা, এই সূত্র ধরেই ভবিষ্যতে ফ্যাটি লিভারের নতুন চিকিৎসা আবিষ্কার সম্ভব হতে পারে।
হেপাটোলজি বিশেষজ্ঞ অভিজিৎ চৌধুরী ও গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজিস্ট সুজয় মৈত্র জানাচ্ছেন, এশিয়াতেও মহিলাদের তুলনায় পুরুষদের মধ্যে ফ্যাটি লিভারের নজির বেশি। নতুন গবেষণা তার সম্ভাব্য কারণ বুঝতে সাহায্য করছে। তবে ইস্ট্রোজেনের মাত্রা স্বাভাবিক থাকলেই সুরক্ষা মেলে, এমন নয়। দীর্ঘ দিন হরমোনটির মাত্রা স্বাভাবিক ঊর্ধ্বসীমার বেশি থাকলে ওবেসিটি ও ডায়াবিটিসের ঝুঁকি বাড়তে পারে। তাতে ফ্যাটি লিভারের আশঙ্কাও বাড়ে।