বৃষ্টিই বাঁচাল ভারতকে, DLS নিয়মে ৪ রানে কিউয়িদের হারিয়ে সিরিজ়ে ২-০ এগোলেন শুবমানরা
এর পর বাউন্সার দিয়ে কিউয়ি ব্যাটারদের আরও চাপে ফেলেন গুরনুর ব্রার (Gurnoor Brar)। পাওয়ার প্লের পর নিজের এক ওভারে পরপর দু’টি উইকেট তুলে নেন তিনি। প্রথমে অধিনায়ক টম লাথামকে শর্ট বলে আউট করেন। পরের বলে ফেরান গ্লেন ফিলিপসকে। দু’জনেই ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। মাত্র ৫৩ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে কার্যত ধুঁকতে থাকে নিউজ়িল্যান্ডের ইনিংস।
মিচেল-স্যান্টনারের লড়াই, তবু ভাঙল রেকর্ড
সেখান থেকে দলকে টানার চেষ্টা করেন ড্যারিল মিচেল ও অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার। দু’জনে মিলে ৫৯ রানের জুটি গড়েন। ১০৪ বলে ৫৫ রান করেন মিচেল। স্যান্টনার করেন ৩৮ বলে ৩১ রান। এর আগে শুবমান গিল সহজ ক্যাচ মিস করায় বেঁচে গিয়েছিলেন মিচেল। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে অর্ধশতরান করেন তিনি। তবে তাঁদের জুটি ভাঙেন অক্ষর প্যাটেল। বড় শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন মিচেল। এর পর স্যান্টনারকে আউট করেন গুরনুর। শর্ট বলের জন্য প্রস্তুত থাকলেও গুরনুর লেন্থ বদলে ফুলার ডেলিভারি করেন। ব্যাটের কানায় লেগে বল চলে যায় উইকেটের পিছনে। সহজ ক্যাচ নেন কেএল রাহুল।
শেষ পর্যন্ত ৪৭.৩ ওভারে ১৩৪ রানেই অলআউট হয়ে যায় নিউ জ়িল্যান্ড। ১০ ওভারে ৩০ রান দিয়ে চার উইকেট নেন গুরনুর। আকিব নবি, অংশুল কম্বোজ় ও অক্ষর প্যাটেল দু’টি করে উইকেট পান। অর্শদীপ সাত ওভারে মাত্র ১৬ রান দেন। ভারতীয় বোলাররা মোট ১৭৬টি ডট বল করেন। অর্থাৎ, এতগুলি বলে কোনও রান নিতে পারেননি কিউয়ি ব্যাটাররা।
ঘরের মাঠে ভারতের বিরুদ্ধে এর আগে নিউ জ়িল্যান্ডের সর্বনিম্ন স্কোর ছিল ১৯৯৪ সালে অকল্যান্ডে ১৪২ রান। এ বার সেই রেকর্ড ভেঙে গেল। ভারতের বিরুদ্ধে পরপর দু’টি একদিনের ম্যাচে ২০০ রানের কমে অলআউট হলো তারা। সিরিজ়ের মধ্যে শেষ বার এমন ঘটনা ঘটেছিল ২০০১ সালে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে।