সমাজের সত্যগুলিকে আলো দেবে উপাসনা
তুলে ধরা হবে শিশুদের পড়াশোনা ছেড়ে শ্রমিকের কাজে যুক্ত হওয়ার কারণ, বৃদ্ধাশ্রম তৈরির পিছনের বাস্তবতা এবং নারী ও সমাজের সম্পর্কের কথা। এক দিকে দেবীর আরাধনা, অন্য দিকে নারীর প্রতি অসম্মান, সমাজের এই দ্বিচারিতাও অভিনয়ের মাধ্যমে তুলে ধরবে খুদেরা। পাড়ার ১৪ জন শিশু-কিশোরকে নিয়ে গত দু’সপ্তাহ ধরে চলছে মহড়া। কোরিওগ্রাফি থেকে অভিনয়ের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন পাড়ার বাসিন্দা তিথি দাস। ক্লাবের ইতিহাস সম্পর্কে বলতে গিয়ে ৭৬ বছর বয়সি প্রতিষ্ঠাতা সদস্য তুলসী দাস ঘোষ ফিরে যান ১৯৬৫-এ। পিলখানা কলোনির পাশ দিয়ে তখন বয়ে যেত তিস্তা। বর্তমানে যেখানে ক্লাব ও মাঠ, সেখানে ছিল পুলিশের চাঁদমারি। বাদলকান্তি হোড়, নির্মলকান্তি দে, স্বপন রায়, স্বপন মণ্ডল, যোগেশ দাস, অরুণ দাস ও অরুণ শীল-সহ কয়েকজন স্কুলপড়ুয়া বন্ধু মিলে ‘তরুণ সঙ্ঘ’ নামে ক্লাব তৈরির উদ্যোগ নেন। শুরু হয় সরস্বতী পুজো। ১৯৬৮-তে বন্যায় তা বন্ধ হয়ে যায়। ১৯৬৯-এ ক্লাবের নাম বদলে যায়। সেই বছর থেকে শুরু হয় দুর্গাপুজো।