Sensex Jumps: ট্রাম্প গুঁতো খেতেই ছুটছে ‘বুল’, চাঙ্গা ভারতের মার্কেটও | US Midterm Election Impact: Wall Street Surges, Sensex Jumps 1,400 Points, Nifty Rises
Sensex Jumps 1,400 Points: নির্বাচনের পর সবচেয়ে বেশি পরিবর্তন দেখা গেছে তেল বাজারে। বুধবার ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ৮ শতাংশের বেশি কমে প্রতি ব্যারেল প্রায় ৯৫ ডলারে নেমে এসেছে। মার্কিন ক্রুড অয়েলের দামেও বড় ধরনের পতন। কম জ্বালানি মূল্য মুদ্রাস্ফীতি কমাতে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সুদের হার কমাতে সাহায্য করতে পারে।

চাঙ্গা শেয়ারবাজার (প্রতীকী চিত্র)Image Credit: Getty Image
মিডটার্ম নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা মার্কিন কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর ওয়াল স্ট্রিটে তিন মাসের মধ্যে সবচেয়ে বড় দৈনিক উত্থান। ডোনাল্ড ট্রাম্পের দল ধাক্কা খেলেও মার্কিন শেয়ারবাজার রকেট গতিতে এগোচ্ছে। চাঙ্গা ভারতের মার্কেটও। বাজার খুলতেই ১৪০০ পয়েন্টের লম্বা লাফ সেনসেক্সের। ৪০০ পয়েন্টের বেশি বাড়ল নিফটিও।
-
বাজারে উত্থান: ডাও জোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল এভারেজ ১,৫০০ পয়েন্টের বেশি লাফিয়েছে এবং এসঅ্যান্ডপি ৫০০ (S&P 500) সূচকটি নির্বাচনের পর তিন মাসের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী দৈনিক বৃদ্ধি রেকর্ড করেছে।
-
বিনিয়োগকারীদের আস্থা: ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সাধারণত কর হ্রাস ও ব্যবসা-বান্ধব নীতির জন্য বাজার-বান্ধব মনে করা হয়। তবে ডেমোক্র্যাটদের এই বিজয়কে বিনিয়োগকারীরা ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন; কারণ একটি বিভক্ত কংগ্রেস ট্রাম্পের অনিশ্চিত নীতি, অতিরিক্ত খরচ এবং বড় ধরনের নীতিগত ধাক্কাগুলোকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।
-
তেলের দাম পতন: নির্বাচনের পর সবচেয়ে বেশি পরিবর্তন দেখা গেছে তেল বাজারে। বুধবার ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ৮ শতাংশের বেশি কমে প্রতি ব্যারেল প্রায় ৯৫ ডলারে নেমে এসেছে। মার্কিন ক্রুড অয়েলের দামেও বড় ধরনের পতন। কম জ্বালানি মূল্য মুদ্রাস্ফীতি কমাতে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সুদের হার কমাতে সাহায্য করতে পারে। ট্রাম্প নিজেও স্বীকার করেছেন যে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের পেছনে এই যুদ্ধ একটি বড় ভূমিকা রেখেছে। তেলের দাম কমলে ভোক্তা ও ব্যবসায়ীরা স্বস্তি পাবে। কম মূল্যে জ্বালানি পাওয়া গেলে মুদ্রাস্ফীতির চাপ কমবে, পরিবহন খরচ হ্রাস পাবে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর সুদের হার কমানোর কথা বিবেচনা করার সুযোগ বাড়বে।
-
এআই (AI) ও প্রযুক্তি খাতের ওপর নিয়ন্ত্রণ: ডেমোক্র্যাটদের জয়ের ফলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও প্রযুক্তি খাতের কোম্পানিগুলোর ওপর কড়া নজরদারি ও নিয়মের কড়াকড়ি বাড়তে পারে। এর ফলে ডেটা-সেন্টার অপারেটররা চাপের মুখে পড়লেও মাইক্রোসফট, অ্যামাজন ও মেটার মতো প্রতিষ্ঠিত ক্লাউড কোম্পানিগুলো লাভবান হতে পারে।
-
বন্ড বাজারে স্বস্তি: সরকারি বন্ডের চাহিদা বাড়ায় ১০ বছর মেয়াদী মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের ইল্ড কমে প্রায় ৪.৮৯%-এ নেমে এসেছে। বিনিয়োগকারীরা মনে করছেন, বিভক্ত কংগ্রেস সরকারের অতিরিক্ত ঋণ গ্রহণের প্রবণতা এবং বাজেট ঘাটতি কমাতে সাহায্য করবে।

