সুমন্ত বলেন, ‘আমরা খুবই কৃতজ্ঞ। সত্যি বলতে, এত তাড়াতাড়ি দাদুকে ফিরে পাব, তা ভাবতেও পারিনি। আমরা প্রায় আশা ছেড়েই দিয়েছিলাম। যে জায়গা থেকে দাদুকে খুঁজে পাওয়া গিয়েছে, সেটি হাসপাতাল থেকে অনেকটা দূরে। পুলিশের তৎপরতায় সন্ধেবেলার মধ্যেই দাদুর খোঁজ পাওয়া গেল। আমরা খুবই খুশি।’