CM Suvendu Adhikari: ‘বাবর ভারতীয় নয়, লুটেরার নামে মসজিদ করতে দেবো না’, জেলাশাসককে কড়া নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর | CM Suvendu Adhikari says Babar was not Indian, He Won’t Allow to Nam Masjid After Babar
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ফাইল ছবি।Image Credit: PTI
কলকাতা: রাজ্যে বেড়েছে রাজস্ব। প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত রাজস্ব আদায় হয়েছে। আসছে শিল্প বিনিয়োগও। অম্বানী-আদানির পর এবার রাজ্যে আসছে জিন্দল গোষ্ঠী। বিপুল বিনিয়োগের সম্ভাবনা। আজই নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন সজ্জল জিন্দল। তাঁর সঙ্গে দেখা করার পর কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?
শিল্পপতি সজ্জন জিন্দাল আজ নবান্নে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন। সে প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে এ দিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “বড় বিনিয়োগকারী উনি। আগামী জানুয়ারিতে ভূমিপুজো হবে। আমি চাকরির কথা বলেছি।মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের দায়িত্ব নেবেন উনি। মন্দির সংস্কার করতে চান, তাই কিছু লিস্ট দিচ্ছি।”
সজ্জল জিন্দল যে রাজ্যের প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের প্রশংসা করেছেন, সে কথাও উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, “সজ্জন জিন্দাল বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের প্রশংসা করেছেন। বুদ্ধবাবু ভালো মানুষ ছিলেন, এমন বলেছেন তিনি।”
এর পাশাপাশি রাজ্যের রাজস্ব বৃদ্ধি নিয়ে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “এখন পুলিশ কাজ করছে। প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত রাজস্ব আদায় হয়েছে। সারা বছরের রেভিনিউ ৮ হাজার কোটি টাকা হবে। এটা আগেও উঠেছে, কিন্তু রাজ্যের কোষাগারে আসেনি। বরং দায়িত্ব থাকা ব্যক্তির কাছে গিয়েছে। বেনামে জমি কিনেছে। সেটা আমরা বের করেছি। এটা ভুল করে ফেলে গিয়েছে।”
অন্যদিকে, ডায়মণ্ড হারবারে মমতা তৃণমূলের পার্টি অফিস থেকে কোটি টাকা উদ্ধার প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এরা কারা, সবাই জানে। ডেইলি রোজগার ছিল এটা। কিং পিনের ১ ঘণ্টার রোজগার ছিল। রাজস্ব লুঠ হয়েছে। ভারতবর্ষের বাইরে সেই টাকা পাঠিয়েছে। পুলিশ কাজ করছে।অর্থ উদ্ধার হচ্ছে। উত্তরবঙ্গে গোডাউন থেকে সুপারি, অবৈধ তেল উদ্ধার হয়েছে। ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
পাস দুর্নীতি মামলায় ধ্রুবজ্যোতি বসুর গ্রেফতারির বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সবকটাই চোর। তৃণমূল ও চোর সমার্থক। নবান্নের বাড়িতে ইন্দ্রনীলের জন্য অবারিত দ্বার ছিল। সরাসরি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর আশীর্বাদ ছিল।”
বাবরের নামে মসজিদ প্রসঙ্গ নিয়েও মুখ খোলেন তিনি। বলেন, “বাবর ভারতীয় নয়। লুটেরা ছিল। বাবরের নাম লিখলে পারমিশন হবে না। ডিস্ট্রিক ম্যাজিস্ট্রেটকে বলে দিয়েছি। লুটেরার নামে মসজিদ করতে দেবো না।” একইসঙ্গে হুমায়ুন কবীরকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “সড়ক জ্যাম করার অধিকার কারোর নেই”।
বামেদেরও এক হাত নেন মুখ্যমন্ত্রী। সরাসরি প্রশ্ন তোলেন, নেহা বোরা কে? নির্বাচন জিতে আসতে বলুন। এজেন্ডা করে হিন্দু দেবতাদের অপমান করে। বামেরা নাস্তিক। সুজন, সূর্যকান্তরা বলেন তাঁরা নাস্তিক। কিন্তু মহম্মদ সেলিম বলেন না।”
অগ্নিবীররা ২০ শতাংশ অগ্রাধিকার পাবে। সেই সিদ্ধান্তের কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি জানান যে রাজ্যের আন-স্কিলড শ্রমিকদের জন্য মজুরি ৩০০ টাকার বদলে ৪০০ টাকা করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে বলেছেন।