PV Sindhu: এশিয়ানে ব্যর্থতার ‘শাস্তি’ হিসেবে বন্ধ সরকারি অনুদান? বিদেশে বিপাকে সিন্ধু-লক্ষ্যরা | PV Sindhu, Lakshya Sen Bear Own Expenses During Europe Tour After SAI Denies Funds
নয়াদিল্লি: এও হয়? বিদেশ সফরে খেলতে যাওয়ার আগে ক্রীড়াবিদদের অনুদান বন্ধ করে দেওয়া যায়? এমনই ‘আজব শাস্তি’র শিকার ভারতীয় শাটলাররা। বিদেশের মাটিতে খেলতে গিয়ে স্পোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া বা সাইয়ের তরফে কোনও আর্থিক সাহায্য না মেলার ফলে ইউরোপ সফরে গিয়ে নিজেদের খরচ নিজেদেরই বহন করতে হয়েছে পিভি সিন্ধু, লক্ষ্য সেন-সহ একাধিক ভারতীয় শাটলারকে। সূত্রের খবর, BWF ওয়ার্ল্ড ট্যুরের ইউরোপ পর্বে অংশ নিতে গিয়ে হোটেল ছাড়া অন্যান্য খরচের জন্য নিজেদের পকেট থেকেই টাকা দিতে হয়েছে খেলোয়াড়দের। যদিও প্রথমে মনে করা হয়েছিল, ২০২৬ এশিয়ান গেমসে ভারতের ব্যাডমিন্টনে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের কারণেই এই আর্থিক কোপ, তবে বিষয়টি নাকি তেমন নয়।
সম্প্রতি জার্মানিতে হাইলো ওপেনে দুরন্ত প্রত্যাবর্তন ঘটিয়েছেন সিন্ধু ও লক্ষ্য। এই প্রতিযোগিতায় মহিলাদের সিঙ্গলস ও পুরুষদের সিঙ্গলস খেতাব জেতেন দুই ভারতীয় তারকা। কিন্তু এরপরই শোনা গিয়েছে এই আর্থিক সমস্যার বিষয়টি। এশিয়ান গেমসে আয়োজক শহর আইচি-নাগোয়াতে ভারতীয় ব্যাডমিন্টন দল চূড়ান্ত ব্যর্থ হয়। মাত্র ১টি ব্রোঞ্জ পায় ভারত। এরপরেই জল্পনা শুরু হয়, তাহলে কি ব্যর্থতার শাস্তি হিসেবে টাকা দিল না সাই? কিন্তু সাই নিজে বলছে অন্য কথা। তাঁদের বক্তব্য, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তাব ও খেলোয়াড়দের তালিকা জমা দিতে পারেনি ব্যাডমিন্টন অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়া। সেই কারণেই সাই-এর তরফে অর্থ বরাদ্দ করা সম্ভব হয়নি বলে জানা গিয়েছে। সাই জানায়, প্রায়ই শেষ মুহূর্তে বিভিন্ন ক্রীড়া ফেডারেশন আর্থিক সহায়তার প্রস্তাব জমা দেয়, কিন্তু এই সংস্থা দিতে না পারায় বিপাকে পড়লেন সিন্ধুরা।
কী ঘটেছিল?
সূত্রের খবর, শেষ পর্যন্ত ভারতীয় ব্যাডমিন্টন সংস্থার তরফে খেলোয়াড়দের হোটেলে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। তবে যাতায়াত-সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় খরচ নিজের পকেট থেকেই বহন করতে হয়েছে শাটলারদের। যদিও সিন্ধু জানিয়েছেন, হোটেলে থাকার খরচের একাংশ তাঁর স্পনসররা বহন করেছেন। কিন্তু বাকি খরচ নিজের পকেট থেকেই দিতে হয়েছে তাঁকে। পাশাপাশি তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছে অলিম্পিক গোল্ড কোয়েস্ট সংস্থা। যদিও এশিয়ান গেমসের ব্যর্থতা ভুলে ইউরোপে দুরন্ত প্রত্যাবর্তন ঘটিয়েছেন সিন্ধু। কিন্তু দেশের হয়ে খেলতে গিয়ে যখন প্রতিষ্ঠানের তরফে খেলোয়াড়দের টাকা বন্ধ করে দেওয়া হয়, তখন সেই বিষয় নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক।