মাঝরাতে ঘরে ঢুকে গৃহবধূকে গণধর্ষণের অভিযোগ সোনারপুরে
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে নির্যাতিতা সোনারপুরে তাঁর জামাইবাবুর বাড়িতে ছিলেন। রাতের শেষ ট্রেনে মহিলার স্বামী বাড়ি ফেরেন। জামাইবাবু ও তাঁর স্ত্রী অন্য বাড়িতে চলে যান। খাওয়াদাওয়া সেরে স্বামীকে নিয়ে জামাইবাবুর ভাড়া ঘরে রাতে স্বামীর সঙ্গে ঘুমোচ্ছিলেন মাঝবয়সী ওই বধূ। অভিযোগ, তাঁরা যখন ঘরে ঘুমোচ্ছিলেন, তখনই আচমকা পাঁচ জন দুষ্কৃতী জোর করে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে পড়ে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই স্বামীকে বিছানা থেকে টেনে তুলে মারধর শুরু করে দেয় দুষ্কৃতীরা। তাতে রীতিমতো ঘাবড়ে যান নির্যাতিতা। দুষ্কৃতীদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। তাঁর চোখের সামনেই স্বামীকে মারতে মারতে ঘরের বাইরে বের করে নিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। এরপরে ঘরের মধ্যে তাঁকে একা পেয়ে পাঁচ জন মিলে একে একে ধর্ষণ করে। আওয়াজ করলে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয় দুষ্কৃতীরা। প্রাণ বাঁচাতে সেই সময় মুখ খোলার সাহস পাননি নির্যাতিতা। ফলে পাশের বাড়ির লোকেরা কেউ টের পাননি। এই ঘটনার জেরে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন তাঁরা। এ দিন সোনারপুর থানায় গিয়ে তাঁরা লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সূত্রের খবর, যাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে, তারা এলাকার দাগি সমাজবিরোধী। চুরি, ডাকাতি, ছিনতাইয়ের মতো অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। অতীতে তারা জেলও খেটেছে। তাদের মধ্যে একজন কিছুদিন আগেই জেল থেকে ছাড়া পেয়েছে। এ দিন বিষয়টি জানাজানি হতেই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। জানা গিয়েছে, ঘটনার আগের দিন অন্য এক পাড়ায় গিয়ে অভিযুক্তরা এক ব্যক্তিকে মারধর করে এসেছে।