‘ভালো ক্রাইম ডিটেক্ট করত’, রহস্যমৃত্যুর পরেই চর্চায় জয়ন্তর কর্মজীবন, একবার জখমও হন নিজের গুলিতে
বাঁকুড়ায় পুলিশ অফিসার জয়ন্ত পালের মৃত্যু ঘিরে রহস্য ক্রমেই দানা বাঁধছে। নিছক দুর্ঘটনাবশত তিনি ট্রেনে কাটা পড়েছেন, নাকি নেপথ্যে অন্য কারণ রয়েছে, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। নানা তত্ত্ব এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ানই আপাতত ভাবাচ্ছে তদন্তকারীদের। সেই সঙ্গে আলোচনায় উঠে এসেছে পুলিশ অফিসারের কর্মজীবনও। কাজের ক্ষেত্রে দক্ষ ও নির্ভীক হলেও তাঁর কর্মজীবন যেমন একাধিক উল্লেখযোগ্য সাফল্যের সাক্ষী ছিল, তেমনই নানা বিতর্কেও জর্জরিত ছিল তাঁর পেশাগত জীবন।
আসানসোলের ছেলে জয়ন্ত পাল ২০০৮ ব্যাচের পুলিশকর্মী হিসেবে যোগ দিয়ে নিজের কড়া প্রশাসনিক পদক্ষেপের মাধ্যমে বহু বার নজর কেড়েছিলেন। ২০১৫-য় ভদ্রেশ্বর থানার চাঁপদানি ফাঁড়ির দায়িত্বে থাকাকালীন এক মোটরবাইক আটকানোকে ঘিরে স্থানীয় কাউন্সিলারের সঙ্গে বচসায় জড়ান। এর জেরে ফাঁড়িতে ভাঙচুরের ঘটনায় অভিযুক্ত কাউন্সিলারকে সোজা জেলে পাঠিয়েছিলেন তিনি। এর পরে একে একে আরামবাগের খানাকুল, মগরা, গুড়াপ, সিঙ্গুর ও চণ্ডীতলা থানার মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গার দায়িত্ব সামলেছেন।